- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

নতুন করে আক্রান্ত আরও ৩৬ জন, সুস্থ হয়েছেন ৪৭ জন

স্টাফ রিপোর্টার
দুই ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় সুনামগঞ্জ জেলায় আরও ৩৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় এই ৩২ জন এবং আর ল্যাবে ৩২ জন আর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব থেকে ৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৩ জন, দিরাই উপজেলায় ৭ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৫ জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ৪ জন, ছাতক উপজেলায় ৩ জন, জগন্নাথপুর উপজেলায় ২ জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ২ জন। এ নিয়ে সুনামগঞ্জ জেলায় করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ১০৭৩ জন।
নতুন করে আরোগ্য লাভ করেছেন ৫ উপজেলার ৪৭ জন। শুক্রবার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৩ জন, দিরাই উপজেলায় ১ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ১১ জন, ছাতক উপজেলায় ২২ জন এবং জগন্নাথপুর উপজেলায় ১০ জন সুস্থ হয়েছেন।
এ নিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৭৫ জন। আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৫৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। শুক্রবার পর্যন্ত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ১১৩ জন, ছাতক উপজেলার ১২৫ জন, দোয়ারাবাজার ৫৪ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা থেকে ৪৭ জন, শাল্লা উপজেলা থেকে ৩৫ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৬১ জন, দিরাই উপজেলা থেকে ১৯ জন, জামালগঞ্জ উপজেলা থেকে ৫৪ জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে ২৮ জন, তাহিরপুর উপজেলা থেকে ২১ জন, ধর্মপাশা উপজেলা থেকে ১৮ জন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে গেছেন ১২ জন, আইসোলেসনে গেছেন ২৩ জন, কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেসন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৮ জন। এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলায় ৬ হাজার ৮৭ জনকে হোম কেয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়। কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেসন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয় ৬ হাজার ৪২০ জনকে। এ ছাড়া করোনা সন্দেহে এ পর্যন্ত ১০৩৭ জনকে আইসোলেশনে আনা হয়েছে।
করোনা সন্দেহে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৯৭৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ৮ হাজার ৪৩০ জনের। জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ১০৩৭ জন। নমুনা পরীক্ষার করোনা শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৩০ শতাংশ। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ২৮২ জন, ছাতক উপজেলার ২৬৫ জন, দোয়ারাবাজার ৯২ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা থেকে ৭১ জন, শাল্লা উপজেলা থেকে ৩৭ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৯১ জন, দিরাই উপজেলা থেকে ৪১ জন, জামালগঞ্জ উপজেলা থেকে ৬৬ জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে ৩৬ জন, তাহিরপুর উপজেলা থেকে ৩৭ জন, ধর্মপাশা উপজেলা থেকে ১৯ জন।
উল্লেখ্য, করোনা চিকিৎসার জন্য জেলার ১২টি চিকিৎসা কেন্দ্রে ১৩১ টি বেড রয়েছে। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে রয়েছে ১০০টি বেড। এছাড়াও ছাতক, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, জগন্নাথপুর, ধর্মপাশা, দিরাই, শাল্লা উপজেলায় ৩টি করে বেড এবং সুনামগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও আনিছা হেলথ কেয়ারে ২টি করে বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। রয়েছেন ৮৬ জন ডাক্তার ও ২৪৭ জন নার্স। ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ১৭ হাজার ১ শত ৩২ টি ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) বিতরণ করা হয়েছে। মজুত রয়েছে ১ হাজার ২৮ টি।

  • [১]