নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ—এ ভাচুর্য়াল আলোচনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। স্বাধীনতার অন্তিম লগ্নে শহীদ হওয়া দেশের বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে আলোচনা সভা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস উদ্দীন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয়।
সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা রশিদ সাবার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে হিউমিনিটিজ এন্ড সোস্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডীন এবং মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. রনজিৎ কুমার দে স্মৃতি চারণ করে বলেন, সে সময় তিনি সিলেট মেডিকেল কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি সিলেট শহরে পাক হানাদার ও তাদের দোসর রাজাকার, আলবদরের অত্যাচারের বর্ণনা দেন এবং সিলেট মেডিকেল কলেজের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. শ্যামল কান্তি লালা, ডা. শামসুদ্দীন ও কর্ণেল ডা. জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
সভাপতি প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস উদ্দীন বিশ্বাস বলেন, তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ছাত্র ছিলেন। স্বাধীনতার উষা লগ্নে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষাবিদকে পাক হানাদার বাহিনী হত্যা করে। এর মধ্যে গণিত বিভাগেরও অনেক শিক্ষক ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালায় সে সকল শহীদের স্মৃতি সংরক্ষিত আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময় তারা সে সকল শহিদ বুদ্ধিজীবী সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা উত্থাপনে বুদ্ধিজীবীদের অবদান ছিল সে জন্য পাকিস্তানী বাহিনী এ দেশের বুদ্ধিজীবীদের উপর অত্যন্ত ক্ষিপ্ত ছিল। জাতিকে মেধা শূন্য করতে তাই এদেশের বুদ্ধিজীবী শ্রেণী বিশেষ করে অধ্যাপক, চিকিৎসক, আইনজীবীসহ সমাজের বিবেককে তারা হত্যা করে। কিন্ত তারা এতে সফলতা অর্জন করতে পারেনি। বাঙালী জাতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এ দেশ স্বাধীন করে আজ বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবীসহ স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক—কর্মকর্তাগণ ভাচুর্য়ালি অংশগ্রহণ করনে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি