জগন্নাথপুর অফিস
তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ ও তার বাবাকে মারধরের ঘটনার মূলহোতা শামীম আহমদ এলাকাবাসীর কাছে একজন ভয়ংকর মানুষ। সম্প্রতি সরেজমিনে এলাকায় গেলে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ শামীম আহমদের নানা অপকর্ম তুলে ধরেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আলী আকবর খান জানান, শামীম আহমদ উগ্র, দাঙ্গাবাজ ও বখাটে হিসেবে পরিচিত। বেশ কিছু দিন ধরে সে এলাকায় মাদকসেবন ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এসব অপরাধে একবার পুলিশে সোপর্দ করা হলেও কিছু দিন জেলে থেকে বের হয়ে এসে তার কাজ চালিয়ে যায়।
গোতগাঁও গ্রামের বাসিন্দা সমাজকর্মী বারিক মিয়া বলেন, শামীম এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। তার বখাটেপনায় ভয়ে অনেকেই প্রতিবাদ করেননি এতদিন। এখন তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ ও তার বাবাকে মারধরের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ও গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে নিন্দার ঝড় উঠেছে।
জগন্নাথপুর উপজেলা সচেতন নাগরিক সমাজের নেতা রাসেল আহমদ জানান, তরুণীকে ধর্ষণ ও তার বাবা কে মারধরের ঘটনায় শামীম আহমদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে আমরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছি।
পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মখলেছুর রহমান জানান, উপজেলার একটি নিভৃত পল্লী গোতগাঁও। এখানে শামীমের মতো ভয়ংকর অপরাধী রয়েছে আমাদের জানা ছিল না। তাকে আমরা বখাটে ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে জানতাম না। এখন তার অনেক কুকর্ম শোনা যাচ্ছে। সে তার গর্ভধারীনি মা কেও মারধর করেছে।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত মুসলেহ উদ্দিন জানান, শামীমের বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি ও মারামারির চারটি মামলা রয়েছে। তার অপকর্মের কথা এখন অনেকেই বলছেন। পুলিশ শুক্রবার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বেলতলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।