- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

নির্ধারিত সময়ের আগে প্রচারণায় প্রার্থীরা

আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে জগন্নাথপুরে নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রচারণা শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। ফলে নির্বাচনী আচরণবিধি চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে।
জানা যায়, আগামী ২৬ ডিসেম্বর জগন্নাথপুর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে কলকলিয়া, পাটলী, চিলাউড়া হলদিপুর, রানীগঞ্জ, সৈয়দপুর শাহারপাড়া, আশারকান্দি ও পাইলগাঁও ইউনিয়ন। এসব ইউনিয়নে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা এরমধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। শেষ হয়েছে প্রার্থী বাছাই। আগামী ৬ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ৭ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।
নির্বাচন আচরণ বিধির ৫ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার করা যাবে না। এই নির্বাচনী নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে প্রার্থীরা তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমে পড়েন। মনোনয়ন ফরম দাখিল শেষে প্রার্থীরা প্রকাশ্যে বিপুল সংখ্যক লোকজন নিয়ে প্রচার, গণসংযোগ, সভা, সমাবেশ করা শুরু করেছেন। দিচ্ছেন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। চাইছেন ভোট ও সমর্থন। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রচারে ব্যস্ত প্রার্থীরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক চেয়ারম্যান প্রার্থী জানান, সব প্রার্থীই প্রচার চালাচ্ছেন। আমি না করলে ভোটের মাঠে পিছিয়ে পড়বো। একারণে প্রচারণা শুরু করেছি। করছি।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে জগন্নাথপুরের সাতটি ইউনিয়নে ৪০ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরমধ্যে দুই প্রার্থী বাছাইয়ে বাতিল হয়েছেন। ৩৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী আছেন মাঠে। প্রার্থীরা হলেন- কলকলিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলাল হোসেন রানা, স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিক আহমদ, আব্দুস সোবহান, পাটলী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান সিরাজুল হক, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান আঙ্গুর মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হাই আজাদ, এনামুল ইসলাম, আতিকুর রহমান আতিক, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী আরশ মিয়া, আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত ইউনিয়ন প্রার্থী আব্দুল গফুর, স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বকুল, আব্দুল মোমিন, ইলিয়াস মিয়া, মুজিবুর রহমান, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল ইসলাম রানা, আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ছদরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী আমান উল্লাহ লেছু, এম. সিরাজুল ইসলাম আশিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী য়ুক্তরাজ্য প্রবাসী ছালিক মিয়া, সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী আবুল হাসান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুকিতুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মকসুদ কোরেশী, আজহার কামালী, তানভীর আহমদ কামালী, আজাদ হোসেন চৌধুরী, আশারকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুস সত্তার, স্বতন্ত্র প্রার্থী আইয়ুব খান, সৈয়দ জমিরুল হক, আহমেদ হোসাইন, গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী পারভেজ, লেবু মিয়া, শাহ তারেক রহমান, মোহাম্মদ আলী, আবু বক্কর খান, পাইলগাঁও ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী মুখলিছ মিয়া, আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী সুন্দর উদ্দিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক মিয়া, দবিরুল ইসলাম। এছাড়া সাতটি ইউনিয়নে ২৪০ জন সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত পদে নারী প্রার্থী ৮৯ জন।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মুজিবুর রহমান বলেন, আচরণবিধি মেনে চলার জন্য আমরা এরমধ্যে প্রার্থীদের বলে দিয়েছি।

  • [১]