- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে বাঁধের কাজ

স্টাফ রিপোর্টার
বাঁধের কাজে কেউ অনিয়ম করলে তিনি সরকারি কর্মকর্তা বা অন্য কেউ হোন, তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই প্রতিটি কাজ সঠিকভাবে করতে হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়ে মানুষের মাঝে এক সময় নেতিবাচক ধারণা ছিল, সেটা পরিবর্তন হয়েছে। কর্মকর্তারা দিনরাত মাঠে কাজ করছেন। সবাই মিলেই কাজটি নির্ধারিত সময়ে অবশ্যই শেষ করতে হবে।
সুনামগঞ্জে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রোকন উদ দৌলা এসব কথা বলেছেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শনিবার দুপুরে এই সভা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মহম্মদ আলী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মো. নিজামুল হক ভুইয়া, তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী খুশি মোহন সরকার, সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের দুই নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান ও মো. শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন নাহার, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সমীর বিশ্বাস, হাওর ও পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পিযুষ পুরকায়স্থ প্রমুখ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মো. নিজামুল হক ভুইয়া জানান, গত বছর ২৫ ডিসেম্বর হাওরে বাঁধের কাজের অগ্রগতি যেখানে শূন্য ছিল, এবার এই সময়ে গড়ে ৩০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এটা ইতিবাচক দিক। গত দুই বছর হাওরে বড় কোনো বন্যা হয়নি, তাই এবার বন্যার আশঙ্কা আছে। আবার কাজের সময়ও কম। তাই দ্রæত সব কিছু করতে হবে।
সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান জানান, এবার হাওরে এখন পর্যন্ত ৭২৫টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১২৮ কোটি টাকা। কাজ চলমান আছে ৬৫৫টিতে। এর বাইরে তিন কোটি ৩২ লাখ টাকার প্রকল্প বহির্ভুত আরও ১৯টি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে। জেলার তাহিরপুর ও জামালগঞ্জ উপজেলায় কাজের অগ্রগতি কম। তাহিরপুরে ৭০টি প্রকল্পের মধ্যে ৪০টি এবং জামালগঞ্জে ৬৯টি প্রকল্পের মধ্যে ৫৬ টির কাজ শুরু হয়েছে। হাওর থেকে পানি ধীরে নামায় কোথাও কোথাও কাজ শুরু করতে সমস্যা হচ্ছে।

  • [১]