জগন্নাথপুর অফিস
ছোট বড় সব বয়সী মানুষের নিকট জনপ্রিয় একটি নাম ফুটবল। ফুটবল চিনেন না এমন মানুষ কোথাও খোঁজে পাওয়া যাবে না। সবার কাছেই ফুটবল পরিচিত। এই ফুটবল নিয়ে এখন প্রবাসি অধ্যুষিত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে তদবির লবিং চলছে।
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, আগামী ২৮ মে ৫ম ধাপে জগন্নাথপুর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল ও যাচাই বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। ১৩ মে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। সাতটি ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে ২৭৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সব প্রার্থীই তাদের মনোনয়ন পত্রে পছন্দের প্রতীক হিসেবে ফুটবল পছন্দ করেছেন।
জানা যায়, এ উপজেলায় প্রতিটি নির্বাচনে ভোটারদের নিকট ফুটবল প্রতীক খুবই জনপ্রিয়। অধিকাংশ প্রার্থীরাই মনে করেন প্রতীকের কারণে অনেক সময় বিজয় সুনিশ্চিত হয়। ভোটারদের পছন্দের উপর নিভর্রশীল হয়েই প্রতীক পছন্দ করতে হয়। যে কারণে ফুটবল প্রতীকের দিকে চেয়ে আছেন প্রার্থীরা। প্রিয় এই প্রতীক পেতে অনেকেই সমঝোতা করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের বর্তমান সাধারণ সদস্য নাজমুল হক বলেন, আমাদের এলাকার ছোট বড় সবার নিকট ফুটবল প্রতীক খুবই প্রিয়। বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুক্তাদীর আহমদ ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৪২ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে আমি ফুটবল প্রতীক চেয়েছি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাটলী ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য প্রার্থী বলেন, গত নির্বাচনে আমি ফুটবল প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছি। এবারও আমার পছন্দ ফুটবল । আমরা তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছি। একজনের সঙ্গে ইতিমধ্যে সমঝোতা হয়েছে। অপর জনের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা চালিয়েছি। ভালবাসার এই প্রতীক পেতে লবিং আর তদবিরও করতে হচ্ছে আমাকে।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক ইউএনও মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনে সাতটি ইউনিয়নে অংশগ্রহণকারী সকল ইউপি সদস্য তাদের মনোনয়ন ফরমে ফুটবল প্রতীক চেয়েছেন। প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতা না হলে লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।