স্টাফ রিপোর্টার
শান্তিগঞ্জ উপজেলার নোয়াখালী-ভীমখালি সড়কটি গত বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় সাড়ে ৯ কিলোমিটার সড়কের মাঝে মাঝে ভাঙা এবং কোথাও কোথাও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। জীবন ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এতে জনসাধারণ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর।
গত রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নোয়াখালী-ভীমখালি সড়কের তেরোহাল গ্রামের পাশে সেতুর দুই দিকেই ভাঙা এবং গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সেতুর এপ্রোচ ভেঙে গেছে। উঠে গেছে সড়কের কার্পেটিং। গাড়ি চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। সেতুর পাশাপাশি এসেই যাত্রী সাধারণকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিতে হয়। এরপর গাড়ি ঠেলে পার করতে হয় সেতু। এতে করে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকার জনসাধারণ এবং চালকরা।
এ ব্যাপারে তেরোহাল গ্রামের মো. নাজিম উদ্দীন বলেন, বন্যায় এই রাস্তার অনেক জায়গায় ভেঙেছে। আমরা যাতায়াতে দুর্ঘটনার ভয়ে থাকে। অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। রাস্তাটি মেরামত করা হলে আমাদের জন্য ভালো হতো।
নুরপুর গ্রামের গাড়ি চালক কামাল মিয়া বলেন, এক বছর হয় রাস্তাটি ভেঙেছে। একমাত্র এই রাস্তা দিয়ে আমরা গাড়ি চালাই। এছাড়া অন্যকিছু করার সুযোগ নাই। রাস্তাটি ঠিক করে দিলে আমরা গাড়ি চালাইয়া পরিবার নিয়ে চলতে পারতাম।
একই গ্রামের বাসিন্দা কলেজ পড়ুয়া মাহমুদুল হাসান বলেন, নোয়াখালী থেকে ভীমখালি পর্যন্ত সড়কের অনেক জায়গায় ভেঙেছে। খুব ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চলাচল করে। এলাকার অনেকেই কৃষিজীবী। ক্ষেতের ধান এই সড়ক দিয়েই বিভিন্ন জায়গায় পাঠাতে হয়। সামনে বৈশাখ মাস, মেঘ বৃষ্টি সময়। দ্রুত রাস্তা ঠিক করা না হলে জনসাধারণের দুর্ভোগ বাড়বে।
এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম বলেন, নোয়াখালী- ভীমখালি সড়কটি গত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি ব্যাপক আকারে মেরামত করার জন্য এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে সংস্কার করা হবে। প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এটি পাস হলেই আমরা কাজ শুরু করব।