স্টাফ রিপোর্টার
বারকী নৌকার তলা ফুটো করে, অভিনব কৌশলে ফুটো বন্ধ করে রাখা হয়, নৌকায় চলতে থাকে বোমা মেশিন, পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনকে দেখতে পেলেই ফুটোর মুখ খোলে দেওয়া হয়। মুহূর্তেই মেশিনসহ নদীতে ডুবে যায় নৌকা। পুলিশ এলাকা ছাড়লে নদী থেকে মেশিন ও নৌকা ওঠিয়ে আবারও চলে বোমা মেশিনবাজী। এভাবে চলে সুনামগঞ্জের ধোপাজান চলতি নদীতে বোমা মেশিন দিয়ে বালু-পাথর ওঠানোর অবৈধ কাজ। বুধবার পুলিশ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩ বোমা মেশিনসহ ৬ বারকী নৌকা আটক করেছে।
পাহাড়ী নদীর পাড়ে ও বুকে এমন কায়দায় বোমা মেশিন চালানোয় পাড় ভাঙনে এলাকার পরিবেশ হুমকির মধ্যে পড়েছে।
বুধবার দুপুরে ধোপাজান চলতি নদীর কাইয়ারগাঁও এলাকায় ৩ টি বোমা মেশিন ৬ টি বারকী নৌকা ডুবানোর সময় পুলিশ আটক করে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার এসআই রূপক কর্মকার বললেন, আমরা অনেক দূরে থেকে দেখেছি বহু নৌকায় বোমা মেশিন চলছে। কাছাকাছি যেতে যেতেই ১০-১২ টি বারকী নৌকা ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডুবানোর সময় ৩ বোমা মেশিনসহ ৬ টি বারকী নৌকা আটক করি। কিন্তু নৌকার লোকজন সকলেই পালিয়ে যায়।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মুহাম্মদ সহিদুর রহমান বললেন, পুলিশ বোমা মেশিন চালকদের ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান চালায়। বৃহস্পতিবার ছাতক- দোয়ারাবাজারের নির্বাচন ডিউটিতে বেশিরভাগ পুলিশ চলে যাওয়ায় নদীতে টহলে যাবার পুলিশ ছিল না। এই সুযোগে বোমা মেশিন নিয়ে বহু নৌকা নামে নদীতে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এরা বারকী নৌকা ডুবিয়ে দেয়। অভিযানের সময় ৩ বোমা মেশিনসহ ৬ বারকী নৌকা আটক করা হয়।