- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

পদ বঞ্চিতরা লিখিত নালিশ জানাবেন

স্টাফ রিপোর্টার
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আজ (শুক্রবার) সুনামগঞ্জের বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিকাল ৩ টায় শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই উপলক্ষে সংগঠনের বর্ধিত সভা আহ্বান করা হয়েছে। বর্ধিত সভায় যারা থাকবেন, তাঁদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে জেলা বিএনপি। এদিকে, পদবঞ্চিত বিএনপি নেতারা কেন্দ্রীয় নেতা গয়েশ্বর রায়ের কাছে তাঁদের ক্ষোভের কথা লিখিত আকারে জানাবেন বলে জানিয়েছেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন জানিয়েছেন- জেলা বিএনপি’র বর্ধিত সভায় বিএনপির বর্তমান কমিটির ৫১ সদস্য, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, প্রথম সহ-সভাপতি, প্রথম যুগ্ম-সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক অর্থাৎ প্রতি ইউনিটের ৫ জন করে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য, ২০০৮’এর জাতীয় নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী, জেলায় থাকা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকতা বা সদস্যবৃন্দও থাকবেন। স্বীকৃত অঙ্গ সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক, দলীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানগণকে বর্ধিত সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ পৌঁছানো হয়েছে।
এদিকে, বর্ধিত সভায় যারা দাওয়াত পাননি এসব ক্ষুব্ধ পদ বঞ্চিত বিএনপি নেতারা কেন্দ্রীয় নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সঙ্গে দেখা করে নালিশ জানাবেন বলে জানিয়েছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, জগন্নাথপুরের সাবেক পৌর মেয়র আক্তার হোসেন বলেন,‘জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি কর্নেল অব. আলী আহমদসহ আমরা জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সঙ্গে যারা দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছি তারা সকলেই কেন্দ্রীয় নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র
 রায়ের সঙ্গে শুক্রবার সকালে দেখা করবো। জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির নতুন কমিটি গঠনে অগঠনতান্ত্রিক আচরণ, ৭ মাস যাবৎ জেলা কমিটি গঠন না হওয়ার বিষয়েও জানাবো। আমরা ঐক্যবদ্ধ বিএনপি করতে কেন্দ্রীয় নেতার কাছে লিখিতভাবে সহযোগিতা চাইবো।’
জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুক আলম জেলা কমিটি গঠনে বিলম্বের জন্য জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে দোষারোপ করে বলেন,‘মিলন সাহেব দুটি পদের একটি হারানোর ভয়ে কমিটি করছেন না। এ কারণে দলে বিভক্তি দেখা দিলে, তিনিই দায়ী থাকবেন।’ তিনি জানান, কেন্দ্রীয় নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে এই বিষয়টি জানাবেন পদ বঞ্চিত নেতারা।
জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন,‘কেন্দ্রীয় নেতার কাছে অভিযোগ অবশ্যই জানাতে পারেন যে কেউ, তাতে আমাদের ভুল সংশোধিত হবে। আমরা ৫১ সদস্যের কমিটিকে ১৫১ সদস্যের করার চেষ্টা করছি। নতুন কমিটি গঠনের পর আমরা সক্রিয়ভাবে সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন করেছি। সংগঠনের ভেতরকার মতভিন্নতা কমিয়ে আনার চেষ্টা করেছি। এখন কম সময়ের মধ্যেই আমরা কমিটি গঠন করবো।’

  • [১]