ইয়াকুব শাহরিয়ার, শান্তিগঞ্জ
সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং চট্ট-১৮৬৬) এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ছয় বার। প্রতিবারই সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করেছে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নূরুল হক। বিজয়ী হয়েছেন সব সময়ই। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) দিনব্যাপী ষষ্ঠ বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে সংগঠনটির ২০২২ এর নির্বাচন। নির্বাচনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাজি মো. নূরুল হকের (বাইসাইকেল) থেকে ৯৬ ভোট বেশি পেয়ে ডাবল হ্যাট্রিক করেছেন মো. নূরুল হক (চেয়ার)। শুক্রবার গভীর রাতে প্রকাশিত ফলাফলে বিজয় নিশ্চিত হয় তার। নূরুল হক বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সম্পাদকও। এদিকে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের আরেক পরিবহণ শ্রমিক নেতা মো. আনোয়ার হোসেনও (হাতি) সহ-সভাপতি পদে তিন বার নির্বাচিত হয়ে প্রথমবারের মতো হ্যাট্রিক করেছেন।
জানা যায়, বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে জেলায় সুনামগঞ্জ নতুন বাসস্ট্যান্ড, জগন্নাথপুর, জাউয়া বাজার ও গোবিন্দগঞ্জ এলাকার মোট ৪টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। তন্মধ্যে নতুন বাসস্ট্যান্ড কেন্দ্রে নূরুল হক (চেয়ার) পেয়েছেন ৩৪৬, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাজি নূরুল হক (বাইসাইকেল) পেয়েছেন ৪৮৪ ভোট। গোবিন্দগঞ্জ কেন্দ্রে চেয়ার পেয়েছে ১৬৪ ও বাইসাইকেল পেয়েছে ১৪৯ ভোট। জাউয়া বাজারে চেয়ার ১৫১ ও বাইসাইকেল ৮৮ এবং জগন্নাথপুরে চেয়ার ২৪৮ ও বাইসাইকেল ৯২ ভোট পেয়েছে। সর্বমোট ৯০৯ ভোট পেয়ে ৯৬ ভোটের ব্যবধানে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকছেন নূরুল হক। অপর দিকে সহ-সভাপতি পদে হাতি প্রতীকে গোবিন্দগঞ্জে ১২২, জাউয়ায় ২৭, জগন্নাথপুরে ৬৩ ও সুনামগঞ্জ কেন্দ্রে ২৫৫ সহ মোট ৪৬৭ ভোট পেয়ে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক করেছেন মো. আনোয়ার হোসেন।
আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি শ্রমিকদের জন্য কাজ করি। শ্রমিক আমাকে পছন্দ করেন। তাই তারা আমাকে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত করেছেন। আমি সকল শ্রমিকদের কাছে কৃতজ্ঞ।
সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং চট্ট-১৮৬৬) এর সাধারণ সম্পাদক নূরুল হক বলেন, আলহামদুলিল্লাহ্। শ্রমিকদের সরাসরি ভোটে ষষ্ঠবারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি। এজন্য সকল পরিবহন শ্রমিক ভাইদের প্রতি অসংখ্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা দোয়া করবেন, যেনো সব সময়ের মতো ভবিষ্যতেও আপনাদের (শ্রমিকদের) ন্যায্য অধিকার আদায়ে সামনের সারিতে থেকে কাজ করে যেতে পারি।