- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

পশ্চিম বাজারে নদীর পাড়ে ময়লার ভাগাড়

পুলক রাজ
নদীর পাড়ে ময়লার স্তূূপ এলাকাবাসীর জন্য দুঃসহ যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আশপাশের বাসা বাড়ি ও বাজারের ব্যবসায়ীদের নদীর পাড় ঘেঁষে ময়লা ফেলার প্রবণতা যেন কমছেই না। এসব ময়লা আবর্জনা গিয়ে মিশছে সুরমার পানিতে। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে চারপাশে, দূষিত হচ্ছে নদী। এতে ঘাট দিয়ে চলাচল করা মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পৌর শহরের পশ্চিম বাজারের সেলিম বোর্ডিং’র উল্টো দিকের সুরমা নদীর পাড়ে ময়লা আবর্জনা ফেলায় একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, তেমনি গোসল করতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, পশ্চিম বাজার নদীর ঘাট দিন দিন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হচ্ছে। ময়লার স্তূপের পাশেই ঘাট। সেখানে আবর্জনার দুর্গন্ধের মধ্যেই গোসল করছেন স্থানীয় লোকজন।
মনুয়ার হোসেন বলেন, পশ্চিম বাজারের নদীর পাড়ে ময়লা আবর্জনা ফেলে যায় মানুষ। ফলে গোসল করতে আসা সাধারণ মানুষ নাক-মুখ বন্ধ করে গোসল করতে হয়। আবর্জনার স্তুপকে ঘিরে থাকা মশা-মাছি রোগবালাই ছড়াচ্ছে। পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য নদীরপাড় খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরী।
হোসেন মিয়া বলেন, ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ তো হচ্ছেই, গোসল করতেও দুর্ভোগ পুহাতে হচ্ছে। প্রায় সময় দেখা যায় মরা পশু-পাখিও ফেলে রাখা হয়। পচা গন্ধে এ জায়গায় দাঁড়ানো যায় না। নদীর ঘাট না থাকায় মানুষ কষ্ট করে গোসল করতে হয়।
ফরহাদ আহমদ বলেন, ওই ঘাটে বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা মানুষের নৌকা ভিড়ায়। আবর্জনার গন্ধে তাদেরও চলাচল করতে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। আমাদের দাবি দূষণের হাত থেকে পরিবেশকে রক্ষায় দ্রুত সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে।
৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবাবিল নূর বলেন, পশ্চিম বাজারে একটা ঘাট নির্মাণ করা জরুরী। আমার পরিকল্পনায় আছে পশ্চিম বাজারে ঘাট করে দেওয়ার। তিনি বলেন, ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করা হবে। এলাকাবাসীর কাছে আমার অনুরোধ বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করবেন না।

  • [১]