- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

পুসাবের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদেরকে অভিনন্দন

বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি
দেশের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তিতে চান্স পাওয়ায় বিশ্বম্ভরপুর পুসাবের পক্ষ থেকে ১৬জন শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানানো হয়।
২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সারাদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে ১৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হবার সুযোগ পেয়েছেন। মেঘালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হাওরাঞ্চল বিশ্বম্ভরপুর শিক্ষাক্ষেত্রে, অর্থনৈতিকক্ষেত্রে বেশ পিছিয়ে পড়া একটি উপজেলা। উপেজেলাটির অধিকাংশ মানুষের (৬৭%) জীবিকা নির্ভর করে কৃষির উপর। শিক্ষার হারের অবস্থাও লাজুক, কেবল ২৮% লোক শিক্ষিত। কয়েকবছর আগেও গোটা উপজেলা থেকে হাতেগোনা এক-দুজন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার সুযোগ পেতেন।তবে পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট’স অ্যাসোসিয়েশন অব বিশ্বম্ভরপুর (পুসাব) প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবার সংখ্যাটা প্রতিবছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে। পুসাব বিভিন্ন স্কুলিং প্রোগ্রাম করে স্কুলশিক্ষার্থীদের মাঝে উচ্চশিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়ার চেষ্টা করে। এতে করে শিক্ষার্থীরা স্কুল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা পেয়ে থাকে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নিয়েও নিয়মিত গাইড লাইন মূলক প্রোগ্রাম করা হয়, যেখান থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে কিভাবে সর্বোচ্চ প্রস্তুত করে রাখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গেলে যাতায়াত ব্যবস্থা, থাকার ব্যবস্থা ইত্যাদি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পেয়ে থাকে।করোনা ভাইরাসের মত মহামারীর জন্য ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অনেক শিক্ষার্থী অর্থনৈতিকভাবে, বিশেষ করে মানসিকভাবে অনেক অবসাদগ্রস্থ ছিলেন। তাদের মতে, পুসাব এই মহামারীর সময়েও যেসব গাইডলাইন মূলক প্রোগ্রাম করেছে সেগুলো তাদেরকে মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখতে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। তারা পুসাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগামীতে যারা ভর্তি পরীক্ষা দিবেন, তাদেরকে সর্বোচ্চ সহায়তা করার আশ্বাস প্রদান করেন।
চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন-
১. মুনিয়া আক্তার (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), ২. হিরা আক্তার (শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), ৩. মাছুমা আক্তার রাণী (শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), ৪. নাফিসা তাবাসসুম (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়), ৫. বন্যা বিশ্বাস তৃষা (সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ), ৬. মোহাম্মদ জীবন ভূইয়া (কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়), ৭. হাফিজ মোহাম্মদ আল মাসুম (শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), ৮. মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়), ৯. মোকাররম হাসান (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), ১০. হাবিবুর রহমান (মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), ১১. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম (নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), ১২. শুভ রঞ্জন দাশ (যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), ১৩. মাসুক বিল্লাহ (সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ), ১৪. নুরুল আবেদীন(চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়), ১৫. মোহাম্মদ রোকন মিয়া (বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়), ১৬. শাহনাজ আক্তার (শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়) ।

  • [১]