ছাতক প্রতিনিধি
ছাতক অনার্স-ডিগ্রী কলেজ সরকারীকরণ করায় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের উদ্যোগে এক আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভা রোববার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধ্যক্ষ মঈন উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে আনন্দ মিছিল শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে এসে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগ দিয়ে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ছাতক ডিগ্রী কলেজ। প্রতিষ্ঠার ৪৪ বছর পর কলেজটিকে সরকারী করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর ১৯৮২ সালে নতুন কোর্স হিসেবে কলেজে চালু করা হয় বিজ্ঞান বিভাগ । ১৯৮৬ সালে স্নাতক কোর্স চালু করার অনুমতি পায় এ কলেজটি। এ ছাড়া ১৯৮৬ ও ১৯৯৭ সালে কলেজে প্রতিষ্ঠিত হয় উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রী পরীক্ষা কেন্দ্র। ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে কলেজে অনার্স কোর্স চালু করা হয়। অবশেষে সরকারীকরণের মাধ্যমে কলেজটি পূর্ণাঙ্গতা লাভ করায় কলেজ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ সর্বমহলে আনন্দ-উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে। আনন্দ মিছিল শেষে কলেজের অধ্যক্ষ মঈন উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মৌলদুর রহমান, উপাধ্যক্ষ সামছুল ইসলাম তালুকদার, অধ্যাপক আব্দুস ছাত্তার, কান্তি চ্যাটার্জী, বিলাল আহমদ, ছাতক প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম, অর্থ সম্পাদক ও প্রাক্তন ছাত্র বিজয় রায়, অধ্যাপক ফখর উদ্দিন স্বপন, একেএম বাকের হোসেন হাওলাদার, আলমগীর হোসেন, আব্দুল হামিদ, পার্থ সারথী টিপু, রহিমা আক্তার হিরা, বিপ্লব রায়, ইসমত আরা, বকুল রানী সরকার, ব্যবসায়ি রনজিত সরকার, প্রধান অফিস সহকারী আব্দুস সহিদ, হিসাব রক্ষক আব্দুর রহিম, কলেজ ছাত্র রিয়াদ চৌধুরী, হোসাইন আহমদ তালুকদার, আব্দুল কাদির তালুকদার, সাচ্চা আবেদীন, জাহাঙ্গির আলম তারেক, জাহাঙ্গির আলম পাবেল, মোস্তাক আহমদ, জেনিস আহমদ, রাহেল আহমদ, বাপ্পী খান, নাইস আহমদ, সালমান চৌধুরী, ইসলাম উদ্দিন, কর্মচারী রিপন আচার্য, সুধাংশু দাস, তুহিন আহমদ প্রমুখ। আনন্দ মিছিলে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ছাড়াও প্রাক্তন ছাত্র, স্থানীয় লোকজন ও সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে ছাতক অনার্স-ডিগ্রী কলেজকে সরকারীকরণ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসেন, সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, ছাতক উপজেলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান সুজন মিয়া চৌধুরী, পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী, সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।