- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

‘প্রধানমন্ত্রীর দশ উদ্যোগের কার্যকর বাস্তবায়নে আন্তরিক হতে হবে’

স্টাফ রিপোর্টার
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের সকল মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাসহ দারিদ্র ও ক্ষুধা মুক্তি, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়কে অগ্রাধিকার প্রদান করছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করছেন, এরমধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, আশ্রয়ণ—২ প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়ন, সবার জন্য বিদ্যুৎ, কমিউনিটি ক্লিনিক ও শিশুর মানসিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, পরিবেশ সুরক্ষা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি অন্যতম। এসব কর্মসূচি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দশ উদ্যোগ নামে পরিচিত। এসব উদ্যোগ দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত করছে। তিনি বলেন, উদ্যোগ সমূহের সঠিক এবং আরো কার্যকর বাস্তবায়ন ভিশন ২০৪১ অর্জনে এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেবে। তিনি উদ্যোগ সমূহের নিয়মিত পরিবীক্ষণের পাশাপাশি বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ এবং নতুন সম্ভবনা চিহৃিত করে সকল পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের কাজ করার আহ্বান জানান।
শনিবার সকাল থেকে হবিগঞ্জের বাহুবলের একটি রিসোর্টে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দশ উদ্যোগ বিষয়ক কর্মশালার সূচনাপর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন— সিলেটের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পিপিএম।
কর্মশালায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দশ উদ্যোগ বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ হাসান, স্বাস্থ্য বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক হিমাংশু রঞ্জন রায় প্রমুখ।
কর্মশালায় বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্টিজ, প্রেসক্লাব, এনজিও, রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন জনগোষ্ঠি, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ১০০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

  • [১]