- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

ফতেপুর ইউপি নির্বাচন রাজনের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সামছুজ্জামান শাহ (আফিজ মাস্টর) এর বিরুদ্ধে বিজয়ী চেয়ারম্যান রনজিৎ চৌধুরী রাজনের কর্মী সমর্থকদের নানাভাবে হয়রানী ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন সামছুজ্জামান শাহ (আফিজ মাস্টর) ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিজয়ী চেয়ারম্যান রনজিৎ চৌধুরী রাজনের কর্মী বাগোয়া গ্রামের বাসিন্দা আলী হোসেনকে মারধর করেছেন সামছুজ্জামান শাহ (আফিজ মাস্টর)। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের কাছে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন আলী হোসেন।
আলী হোসেন দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরকে বলেন,‘ আমি গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান রনজিৎ চৌধুরী রাজনের কর্মী হিসাবে কাজ করেছি। সামছুজ্জামান শাহ (আফিজ মাস্টর) নির্বাচনে পরাজিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে আমার উপর হামলা করে এবং মারধর করেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আমি রনজিৎ চৌধুরী রাজনকে অবগত করেছি এবং বিষয়টি থানার ওসি সাহেবকে জানিয়েছি।  
ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান রনজিৎ চৌধুরী রাজন বলেন,‘ সামছুজ্জামান শাহ (আফিজ মাস্টর) পরাজিত হয়ে নির্বাচনে পর থেকেই আমার কর্মী সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের নানাভাবে হয়রানী করছেন, হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। আমি এসব বিষয় থানার ওসি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে অবগত করেছি।’
এ ব্যাপারে ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সামছুজ্জামান শাহ (আফিজ মাস্টর) সকল অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন,‘আমি আলী হোসেনের উপর হামলা করিনি এবং তাকে মারধর করিনি। আলী হোসেন আমার মামাতো ভাইয়ের ছেলে । বৃহস্পতিবার সেটেলমেন্ট অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে অনেক ভিড় ছিল, সে আমার পায়ের উপর দাঁড়িয়ে ছিল। তাই ব্যথা পেয়ে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়েছি তাকে। তাকে আমি কোন মারধর করিনি। তার সকল অভিযোগ ভিত্তিহীন।’
বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি মো. শহিদুর রহমান জানান, আলী হোসেন থানায় এসেছিল। জানিয়েছেন তার চাচা চেয়ারম্যান সামছুজ্জামান শাহ’র সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে থানায় কোন লিখিত অভিযোগ করেন নি।’

  • [১]