পুলক রাজ
জ্যৈষ্ঠের খরতাপে তৃষ্ণা মেটাতে সুনামগঞ্জ পৌর শহরে বিক্রি বেড়েছে শরবত ও ফলের জুসের। পথচারীদের শরীর ও মনে প্রশান্তির পরশ বুলিয়ে দেয় শরবত ও জুস। লেবু, তুকমা দিয়ে শরবত প্রতি গ্লাস ৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়াও রাসনা, লেবু, পাঁকা আম, আপেল, দুধ দিয়ে ১০ টাকা করে প্রতি গ্লাস বিক্রি হচ্ছে। এসব শরবত ও জুস ঠান্ডা করতে বরফ ব্যবহার হচ্ছে।
সরেজমিনে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পশ্চিম বাজার, মধ্যবাজার, পূর্ব বাজার, আলফাত স্কয়ার পৌর বিপনী, উকিলপাড়া ষোলঘর, কাজির পয়েন্ট, হুসেন বখত্ব চত্ত্বর, স্টেডিয়াম এলাকা, নতুনপাড়া, বাঁধনপাড়া, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, নতুন বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন স্থানে ফুটপাতের শরবত ও জুস বিত্রি করতে দেখা যায়।
শরবত বিক্রেতা ইয়াসিন মিয়া বলেন, প্রতিদিন ৬০০ টাকার পণ্য কিনি। এতে আমার ২০০/৩০০ টাকা লাভ হয়। শহরের পূর্ব বাজার আম্বিয়া মিষ্টি ঘরের সামনে ভাসমান হিসেবে বসি। পুরাতন কোর্টের সামনেও মাঝে মধ্যে শরবত নিয়ে বসি।
শরবত বিক্রেতা কামাল আহমেদ বলেন, আমার মতো আরো অনেক ভাসমান ব্যবসায়ীরা ঠান্ডা শরবত বিক্রি করছে। এই গরমে আমাদের শরবত বিক্রি বেড়েছে। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডসহ শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ৫ টাকা ও ১০ টাকা দামে বিক্রি করি। এই গরমে শরবতের ব্যবসায় মোটামুটি লাভ হচ্ছে।
ক্রেতা রাহুল আহমেদ বলেন, অতিরিক্ত গরমে পানি শূন্যতা পূরণে শরবত খাওয়া জরুরী। আমি তো প্রতিদিনই শরবত খাই। এক সপ্তাহ ধরে অতিরিক্ত গরম পড়েছে। ফলে প্রচুর ঘামছি। বাড়িতে প্রচুর পরিমানে পানি খাই, স্যালাইনও খাই। শরবত বানিয়ে পরিবারের সবাই মিলে খাই। বাজারে আসলেও শরবত কিনে খাই।
মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, প্রচুর গরম পড়েছে, গরমে অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। রোদের মধ্যে বাজারে আসলে তৃষ্ণা পায়। তৃষ্ণা মেটাতে ঠান্ডা ৫/১০ টাকার একগ্লাস শরবত বা ফলের জুস পান করি।