- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

ফেরিঘাটে সাইনবোর্ড না থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

স্টাফ রিপোর্টার
শহরের বিভিন্ন স্থানের সুরমা নদীর ফেরি পারাপারে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে ফেরি পারাপারের যাত্রীরা মালামাল নিয়েও মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছেন। ফেরি পারাপারে যাত্রী ও মালামালের ভাড়া আদায়ের সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি ফেরি পারাপারের যাত্রীদের।
শহর এলাকায় হালুয়ারঘাট ফেরি, নবীনগর, ধোপাখালী ও লঞ্চঘাট ফেরি, জেলরোড ফেরি, চাঁদনীঘাট ফেরি, সাহেববাড়ি ফেরিসহ অন্যান্য ফেরিঘাটে যাত্রী ও মালামালের ভাড়া আদায়ের সাইনবোর্ড নেই। এই কারণে যাত্রীদের কাছ থেকে প্রতিবার ফেরি পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এমনকি একবার ফেরি পারাপারে একজনের কাছ থেকে ৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে এমন অভিযোগ একাধিক যাত্রীর। মালামাল পারাপারের সময়ও একইভাবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা
হচ্ছে। সাহেববাড়ি এলাকার ফেরিঘাটের যাত্রী সুমন মিয়া বলেন, একবার নদী পার হলেও ৫ টাকা দিতে হয়। সাথে কোনো মালামাল থাকলে সেটারও ভাড়া দিতে হয় বেশি। প্রতিদিন আমার অন্তত ৬ বার নানা কাজে শহরে আসা যাওয়া করতে হয়। যাত্রী ভাড়া আদায়ের সাইনবোর্ড থাকলে অতিরিক্ত ভাড়া কেউ দিতো না। স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বন্ধানী পদ্ধতি থাকলেও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন।
চাঁদনীঘাটের ফেরি দিয়ে আসা যাত্রী আবুল মিয়া বলেন, একবার পার হয়ে ৫ টাকার নোট দিলে আর ফেরত দেয়া হয় না। যদিও কোনো সময় কথা কাটাকাটি করে ফেরত পাই তাহলে ২ টাকা পাই। মালামালের ভাড়া অতিরিক্ত আদায় করা হয়। স্থানীয়দের জন্য বন্ধানী পদ্ধতি ব্যবস্থা জরুরি প্রয়োজন। এই সমস্যা সমাধানে ফেরি ভাড়া আদায়ের সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি আমাদের।
হালুয়ারঘাট ফেরি পার হয়ে কলেজে আসা শিক্ষার্থী মানিক মিয়া বলেন, ফেরি পারাপার থেকে শিক্ষার্থীরাও বাদ পড়েনি। তাদেরও দিতে হয় ৫ টাকা করে। শহরতলীর সব ফেরিঘাটে ১টি করে নৌকা ব্যবহার করা হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগী নিয়ে সময় মত কেউ শহরে আসতে পারছেন না। এসব সমস্যা সমাধানে দুইটি ফেরি ব্যবহারের ব্যবস্থা করা একান্ত দরকার।

  • [১]