সু.খবর ডেস্ক
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সোমবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় এ পরামর্শ দেয়া হয়।
কমিটির সদস্য দুরে্যাগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ডা. মো: এনামুর রহমান, পঞ্চানন বিশ্বাস, মো: আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জুয়েল আরেং, মজিবুর রহমান চৌধুরী এবং কাজী কানিজ সুলতানা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় কমিটির গত বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন-অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সম্প্রতি সুনামগঞ্জ ও সিলেট এলাকার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয় গৃহীত কার্যক্রম ও আশু বন্যা মোকাবেলায় বন্যাপ্রবণ এবং নদী ভাঙ্গন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করা হয়।
সভায় বন্যা-প্লাবিত জেলাগুলোতে বন্যা পরবর্তী দুরে্যাগ ব্যবস্থাপনায় নিরাপদ পানি নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিউবওয়েল প্রদানের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া ঘরবাড়ী মেরামতের টিন, স্কুল ঘর মেরামত, পানিবাহিত রোগ-বালাই রোধে ঔষধ পত্র প্রদানের সুপারিশ করা হয়।
বন্যা কবলিত জনগণের মাঝে কি পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে, মানুষের কষ্ট লাঘবে কি পরিমাণ সাহায্য আরও প্রয়োজন, বন্যা দুর্গতদের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং বন্যা পরবর্তী দুরে্যাগ কাটিয়ে উঠতে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানানোর পরামর্শ দেয়া হয়। এ ব্যাপারে দুর্গত এলাকায় কমিটির সরেজমিনে পরিদর্শন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ত্রাণ বরাদ্ধের ক্ষেত্রে সমহার-নীতি অনুসরণের পরিবর্তে প্রয়োজনকে প্রাধ্যান্য দিয়ে যে সকল অঞ্চল বেশি দুরে্যাগ প্রবণ সেখানে বেশি পরিমাণে বরাদ্দ রাখার সুপারিশ করা হয়।
সভার শুরুতে বাংলাদেশের আত্মপ্রত্যয়ের প্রতীক, নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা বহুমুখী সেতুর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও তাঁর সুস্বাস্থ্য কামনা করে দোয়া করা হয়।
দুরে্যাগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুরে্যাগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস