স্টাফ রিপোর্টার
গেল এক সপ্তাহ যাবৎ বাজারে নেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার, প্রভিসেফ, হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক। শহরের বিভিন্ন ফার্মেসীতে খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য জানা গেছে। প্রয়োজনীয় সেবামূলক এই পণ্যগুলো না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
জানা যায়, নভেল করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সাধারণ মানুষের সেবামূলক পণ্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার, প্রভিসেফ, ডেটল, হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্কের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফার্মেসী ডেলট মিললেও স্যানিটাইজার, প্রভিসেফ, হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে না। মাস্ক কিনতে ক্রেতারা ফুটপাতের নি¤œ মানের পণ্যের দিকে ছুটছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও প্রভিসেফ একমাত্র এসিআই কোম্পানী এবং হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক গেট ওয়েল কোম্পানী বাজারে সরবরাহ করে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন ব্যক্তি বাইরের দেশ থেকে হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক আমদানি করে বাজারে সরবরাহ করেন। অন্য কোনো কোম্পানী এই জরুরী সেবামূলক পণ্য সরবরাহ না করায় ভোগান্তিতে রয়েছেন ডাক্তার, ফার্মেসীর মালিক ও ক্রেতারা।
জামতলার বাসিন্দা গৌতম দাস বলেন, স্যানিটাইজার ও মাস্কের জন্য ফার্মেসীতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে পেলাম না। শুধু ডেটল পেয়েছি। মাস্ক ফুটপাত থেকে কিনেছি।
আয়েশা ফার্মেসীর কর্মচারী রঞ্জিত কুমার শর্মা বলেন, আমাদের কাছে স্যানিটাইজার, প্রভিসেফ, হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক নেই। শেষ হয়ে গেছে অনেক আগেই। কোম্পানীকে চাহিদা দিয়েছি কিন্তু তারা দিচ্ছে না। বলছে তাদের কাছেও নেই।
ডা. সালেহ আহমেদ হামিদী বলেন, বাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, প্রভিসেফ, হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক নেই। না থাকার কারণে রোগী দেখতে আমাদের সবচেয়ে বেশি অসুবিধা হচ্ছে। সবচেয়ে ভালো মাস্ক হলো, ‘এন ৯৫।’ কিন্তু সেটা নেই বাজারে। সাধারণ মানুষ সহ আমরা নি¤œ মানের মাস্ক ব্যবহার করতে হচ্ছে। করোনা ভাইরাস ছড়ানোর আগেই আমি হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিনে রেখেছিলাম। এখন সেটা কাজে লেগেছে। হ্যান্ড গ্লাভস যেহেতু নেই তাই রোগী দেখার আগে এবং পরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতে মেখে নিই।
এসিআই ঔষধ কোম্পানীর সুনামগঞ্জ জেলার এরিয়া ম্যানাজার মোহাম্মদ ফারুক হোসাইন বলেন, আমাদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও প্রভিসেফ বাজারে সরবরাহ রয়েছে। তবে সেটা চাহিদা তুলনায় খুবই কম। আমরা বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।