জেলা বারকি শ্রমিক সংঘ (রেজিঃ নং চট্টঃ২৩৫৫) এর সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ জেলা কমিটির নেতা মো. সিরাজ মিয়ার স্মরণে তাহিরপুর উপজেলার পাঠানপাড়া গ্রামে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বারকি শ্রমিক সংঘ যাদুকাটা নদী শাখা কমিটির সভাপতি প্রবীণ শ্রমিক নেতা মো. ফরিদ মিয়ার সভাপতিত্বে শোকসভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ
সম্পাদক শাহজাহান কবির, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি জেলা কমিটির সভাপতি অ্যাড. নিরঞ্জন তালুকদার ও বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রজত বিশ্বাস।
কৃষক সংগ্রাম সমিতি তাহিরপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আকিকুর রেজার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ জেলা কমিটির সভাপতি বাদল সরকার, জেলা বারকি শ্রমিক সংঘ রেজিঃ নং চট্টঃ২৩৫৫ এর সভাপতি মো. নাছির মিয়া ও সহ-সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, তাহিরপুর উপজেলা কয়লা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস ছালাম, প্রয়াত শ্রমিক নেতা মো. সিরাজ মিয়ার বড় ছেলে মো. মধু মিয়া, কৃষক নেতা আব্দুর রাজ্জাক, শ্রমিক নেতা ইদ্রিস আলী প্রমুখ।
শোকসভার শুরুতে প্রয়াত মো. সিরাজ মিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
শোকসভায় বক্তরা বলেন, অত্যন্ত সহজ সরল জীবনযাপনে অভ্যস্ত মো. সিরাজ মিয়া সংগঠনের নীতি আদর্শের প্রতি আমৃত্যু ছিলেন অবিচল। বারকি শ্রমিকসহ শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ছিল সব সময় আপোসহীন।
বক্তারা আরও বলেন, জেলার প্রায় লক্ষাধিক কৃষক পরিবার ও বারকি শ্রমিকগণ হাতের সাহায্যে পরিবেশবান্ধব উপায়ে ধোপাজান চলতি নদী ও যাদুকাটা নদী থেকে বালু-পাথর উত্তোলন করে যুগ যুগ ধরে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। কিন্তু প্রভাবশালী চক্র আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে ইজারা চুক্তি লঙ্ঘন এবং উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে অবৈধ ড্রেজার/খনন যন্ত্রের মাধ্যমে ১০০/২০০ ফুট গভীরতা সৃষ্টি করে বালি-পাথর উত্তোলন করার ফলে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে হাট বাজার স্থাপনা ফসলি জমি। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে সাধারণ শ্রমিকদের উপর নেমে আসে নির্যাতন মিথ্যাা মামলাসহ প্রাণনাশের হুমকি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি