- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

‘বিএনপি গোলযোগের চক্রান্তে লিপ্ত’

সু.খবর ডেস্ক
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিগত দুই ধাপে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিএনপির উসকানির ফলেই সহিংসতা বা গোলযোগ বেশী  হয়েছিল বলে দাবি করেছে আওয়ামী লীগ। দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এ অভিযোগ করেন।
হানিফ  বলেন, আওয়ামী লীগের যারা মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হয়েছে, বিএনপি তাদেরকে উসকানি দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। বিএনপি এদের উপর ভর করেই গোলযোগ সৃষ্টি করে নির্বাচন ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্রে চক্রান্তে লিপ্ত আছে।
শনিবার বিকালে ইউপির তৃতীয় দফার নির্বাচন শেষে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কাযালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষে প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন তিনি।
হানিফ বলেন, তৃতীয় ধাপে সার্বিকভাবে দেশে একটি উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হয়েছে। মাত্র দুই তিনটি জায়গায়  ছোট-খাট বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশী কেন্দ্রের  মধ্যে দুই-তিনটির ঘটনা একেবারেই শূন্য শতাংশ; যা একেবারেই নগণ্য।
প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনার ফলে তৃতীয় ধাপের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ এবং শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইউপি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সমালোচনা   করে তিনি বলেন, এই বাংলাদেশে অন্যতম একটি বড় রাজনৈতিক দল যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাকে পিছনের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সেই দল পরিকল্পিতভাবে এই নির্বাচন ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করার জন্য ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নিয়েছে।
হানিফ বলেন, প্রথম ধাপে নির্বাচনে বিএনপি তাদের দলীয় প্রার্থী বাছাই করে মনোনয়ন দিয়েছিল। কিন্তু প্রথম ধাপের নির্বাচনে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার হতাশায় নির্বাচনকে তারা ষড়যন্ত্রের দিকে ঠেলে দিয়েছে। ফলে গত  দুই ধাপের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোন রকম পদক্ষেপ নেয়নি। তারা তাদের দলীয় প্রার্থী বাছাই ও মনোনয়নের ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখায়নি।
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘বিএনপি ধরে নিয়েছে, বঙ্গবন্ধু কন্যা এবং তার দৌহিত্র এরা যদি জীবিত থাকে  তাহলে বিদেশী কোন ষড়যন্ত্র বাংলাদেশে সম্ভব হবে না। সেই কারণে তারা  নতুন চক্রান্ত করে প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার নীল-নকশা করেছে।
হানিফ বলেন, এরইমধ্যে এই ঘটনা এফবিআইয়ের মাধ্যমে  উদঘাটিত হয়েছে। ষড়যন্ত্রের সঙ্গে বিএনপির আর কোন কোন নেতা জড়িত ছিল এটা তদন্ত করে বের করা হবে এবং প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে  শাস্তি দেয়া হবে। যাতে ভবিষ্যতে কেউ বঙ্গবন্ধু পরিবারের উপর আঘাত হানার পরিকল্পনা করার  সাহস না পায় সেই  পদক্ষেপে নেয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভুঁইয়া ডাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দফতর সম্পাদক আবদুস  সোবহান গোলাপ, র্কার্যনির্বাহী সদস্য সুজিত রায় নন্দী, এনামুল হক শামীম, এস এম কামাল  হোসেন, আমিনুল  ইসলাম আমিন প্রমুখ।

  • [১]