জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরে অস্বাভাবিকভাবে বিদ্যুৎ বিভ্রাট চলছে। বিদ্যুতের ভেলকিবাজির সঙ্গে সমানতালে তাল মিলিয়ে কর্মকর্তারা ভেলকি দেখাচ্ছেন। ফলে এই দু’য়ের ভেলকিবাজির ফাঁদে পড়ে অতিষ্ট উপজেলাবাসী। বৃস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে এ উপজেলার বিদ্যুৎ চলে গেলে টানা ১১ টা বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকার পর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। ঘন্টাখানেক বিদ্যুৎ থাকার পর আবার চলে চলে যায়। এর পর কয়েক ঘন্টা পর বিকেল ৫টা ১৮ মিনিটে বিদ্যুতের দেখা মিলছে ১৫ মিনিট থাকার পর ফের বিদ্যুৎ চলে যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যা (সন্ধ্যা ৭ টা ১৫ মিনিটের সময়) জগন্নাথপুরে বিদ্যুৎ ছিলনা। বিদ্যুতের এই আসা যাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছেন কর্মকর্তাও। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সঙ্গে জগন্নাথপুরের বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বরত সকল কর্মকর্তা কর্মচারিদের মুঠোফোন বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ আসলে আবার তাদের ফোন সচল করা হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ অফিসার ইর্মাজেন্সি ল্যান্ডফোনের রিসিভার উঠানো থাকে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভূক্তভোগীদের অভিযোগ প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ বিল আদায় হওয়ায় সরকার বিদ্যুৎ বিভাগকে গুরুত্ব দিয়ে এ উপজেলায় নির্বাহী প্রকৌশলীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে একজন কর্মকর্তা পদায়ন করেছেন। কিন্তুু দুঃখের বিষয় ওই কর্মকর্তা জগন্নাথপুরবাসীকে কোন সেবা দিচ্ছেন না। তিনি কোথায় থাকেন কখন অফিস করেন তা কেউ জানে না। বিদ্যুতের নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামল সরকার ও আবাসকি প্রকৌশলী আবুল আজাদ ও পাবেলের ভূমিকায় গ্রাহকরা ক্ষুব্ধ।
পাটলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের ব্যবহারে আমরা সন্তুষ্ট নই। প্রয়োজনে অসংখ্যবার বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিয়েও কোন সুরাহা পাইনি। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
গ্রাহকরা জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত থেেক শুক্রবার এরিপোর্ট লেখা অবধি জগন্নাথপুরে বিদ্যুৎ নেই। দুই একবার দেখা মিললেও ৫ মিনিটের বেশী স্থায়িত্ব ছিল না। জরুরী ভিত্তিতে জগন্নাথপুরে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষপ নিতে গ্রাহকরা দাবি জনিয়েছেনে।