সু.খবর ডেস্ক
জামালগঞ্জে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সা¤প্রদায়িক সহিংসতা চিরতরে বন্ধসহ সাত দফা দাবি আদায়ে গণঅনশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে রেজিষ্ট্রি মাঠে এই গণঅশন অনুষ্ঠিত হয়। গণঅশনে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী উপস্থিত হয়ে জুস খাইয়ে অনশনকারীদের অনশন ভঙ্গ করেন।
অনশনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জামালগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি পুর্ণেন্দু ঘোষ চৌধুরী। গণঅশনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অঞ্জন পুরকায়স্থের পরিচালনায় ৭ দফা দাবি আদায়ে বক্তব্য দেন উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রীকান্ত তালুকদার, শুধাংশু রঞ্জন দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সমরেন্দ্র আচায্যর্ শম্ভু ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউপি সচিব অজিত রায়, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সজীব বনিক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নির্লিপ্তা হালদার, উত্তর ইউনিয়ন হিন্দু—বৌদ্ধ—খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি পিয়ারী দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক কাজল চন্দ্র পাল, ভীমখালী ইউনিয়নের সভাপতি নিহার রঞ্জন রায়, সাধারণ সম্পাদক দেবল তালুকদার, ফেনারবাঁক ইউনিয়নের সভাপতি রনজিত তালুকদার, সদর ইউনিয়ন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্র দেবনাথ, বাংলাদেশ হিন্দু—বৌদ্ধ—খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বেহেলী ইউনিয়ন সভাপতি ননী গোপাল তালুকদার, সাচনা বাজার ইউনিয়ন সহ সভাপতি গোপিকা রঞ্জন তালুকদার, সভাপতি জয়বেন্দ্র চন্দ্র পাল, সম্পাদক সুব্রত হালদার, উত্তর ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি চন্দন রায়।
ছাতক
সাাম্প্রদায়িক সহিংসতা চিরতরে বন্ধ ও সরকারি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতি বাস্তবায়ন সহ ৭ দফা দাবিতে ছাতকে হিন্দু—বৌদ্ধ—খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল—সন্ধ্যা গণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন যথাযথ বাস্তবায়ন, পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পার্বত্য ভূমি কমিশন আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন ও সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠনের দাবিতে শনিবার সকাল থেকে—বিকেল পর্যন্ত গণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচি পালনকালে উপজেলা হিন্দু—বৌদ্ধ—খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি, প্রাক্তন অধ্যাপক হরিদাস রায়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বাবুল পালের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র দাস, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাড. পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্র কুমার দাস, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মহন্ত কুমার রায়, নারী নেত্রী শিখা রানী দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক বিজয় রায়, ছাতক রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক বাবুল পাল, উপজেলা হিন্দু—বৌদ্ধ—খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক কালিদাস পোদ্দার, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃপেশ চন্দ, শিক্ষক পংকজ কুমার দাস, দুলন তরফদার প্রমুখ। এসময় স্থানীয় সনাতন ধর্মীয় নেতা সত্য রঞ্জন ঘোষ, হরিপদ পোদ্দার, কালীবাড়ী পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণদাস রায়, শ্রীচৈতন্য সংঘ পূজা কমিটির সভাপতি লিটন ঘোষ, স্থানীয় সনাতন ধর্মীয় নেতা তনু রায়, সমরজিৎ কর, মুন্না আচার্য, সুশিল রায়, নারদ রায়, মনজিত ঘোষ, বিজয় পোদ্দার, কেশব পাল, শিক্ষক তমাল পোদ্দার, গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু আখড়া পূজা কমিটির সভাপতি সাগর দাস টিটু, সাধারণ সম্পাদক তপু রায়, স্থানীয় সনাতন ধর্মীয় নেতা সৌরভ দাস, রাজন দাস, নারায়ন পাল, অভিজিত পাল সহ সনাতন ধর্মাবলম্বি সনাতন ধর্মীয় নেতা লোকজন উপস্থিত ছিলেন। গণ অনশন কর্মসূচি চলাকালে বিকেলে ছাতক শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু ও গোপাল জিউর আখড়ার সেবায়িত হিমাদ্রী শেখর গোস্বামী মহর অনশনকারীদের চরানামৃত পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করেন।