- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

বিশেষ সমন্বয় সভায় বক্তারা- কৃষকদের সর্বনাশে দায়ী অনিয়ম ও দুর্যোগ

বিশেষ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের সব কয়টি হাওরের ফসল ডুবির ঘটনায় রোববার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলার সকল সংসদ সদস্যগণ, আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলার বিভিন্ন পৌরসভার মেয়র, উপজেলা পরিষদ চেয়ারমানগণ, গণমাধ্যম কর্মীসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা বলেন,‘জেলার কৃষকদের সর্বনাশে বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ দুটোই দায়ী।
জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি, ড. জয়া সেন গুপ্তা এমপি, মুহিবুর রহমান মানিক এমপি, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি, অ্যাড. পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্ এমপি, অ্যাড. শামছুন নাহার বেগম শাহানা এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আয়ুব বখ্ত জগলুল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,‘পাউবো’র ঠিকাদার ও পিআইসিদের গাফিলতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ এই দুইয়ে মিলিয়েই আমাদের প্রায় ২০ লাখ কৃষক দুর্ভোগে পড়েছেন।’ সভায় বক্তারা পাউবো ও পিআইসি’র দুর্নীতির তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত বিল না দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে জেলাকে দুর্গত ঘোষণা করে ন্যায্য মূল্যে চাল বিক্রি শুরু করা, ফেয়ারপ্রাইসের সংখ্যা বাড়ানো, প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি ঋণ মওকুফ, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ প্রদানেরও দাবি জানান। প্রায় ৩ ঘণ্টা ব্যাপি এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন,‘সুনামগঞ্জে ৭০ ভাগ জমির ফসল ডুবেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের গাফিলতিও এজন্য দায়ী’। তনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে একটি কমিটি ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের আরেকটি তদন্ত কমিটি দ্রুত গঠনের কথা জানিয়ে বলেন,‘ভিজিএফ, ফেয়ারপ্রাইসসহ সরকারের অনেক চলমান প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তা চলছে। আমি এগুলোর পরিমাণ ও সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ত্রাণ ও খাদ্যমন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলবো।’
তিনি বলেন,‘অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসাবে আমার কাছে কৃষি ঋণ মওকুফ করার দাবি জানানো হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে কৃষিঋণ মওকুফ করার ঘোষণা দেবার ক্ষমতা আমার নেই। সরকারের উর্ধ্বতনদের এই বিষয়ে সুপারিশ করবো আমি। প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষীদের ঋণের ব্যাপারে রেয়াত দেওয়াসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করবো।’
তিনি বলেন,‘হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে গাফিলতি যারা করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে জনমত প্রবল। বিশেষ সভায় সংসদ সদস্যগণ ছাড়াও জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্টজনেরাও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার কথা বলেছেন। আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো, স্থানীয়ভাবে অনিয়ম-দুর্নীতি খতিয়ে দেখার জন্য জেলা প্রশাসন একটি কমিটি এবং আমি ঢাকায় গিয়ে দ্রুত উচ্চ পর্যায়ের আরেকটি কমিটি করার ব্যবস্থা করবো।’
সুনামগঞ্জের ক্ষয়-ক্ষতি অনেক বেশি হলেও আশপাশের জেলার ক্ষতিও একই ধরনের বোঝানোর চেষ্টা চলছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন,‘সকল জেলায়ই দেশের অংশ। বর্তমান সরকার প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনাও সেভাবেই দেখেন।’
দুর্গত জেলা ঘোষণার দাবি’র বিষয়ে মন্ত্রী বলে, দুর্গত বা কম দুর্গত যে নামেই হোক আমরা কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে চাই। খাদ্যের অভাব আছে, যেভাবেই হোক আমরা সেটি মেটাতে চাই।’ এখনো পর্যন্ত দেওয়া সাহায্যের পরিমাণ যথেষ্ট নয় স্বীকার করে তিনি বলেন,‘আমরা এই সাহায্য বাড়ানোর চেষ্টা করবো।’
প্রবীণ সাংবাদিক কামরুজ্জামান চৌধুরী’র প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন,‘সরকারের একজন মন্ত্রী হিসাবে আমি বলছি, আপনারা পাউবো কর্মকর্তাদের কাছে ঠিকাদারদের এবং পিআইসি’র তালিকা চাইবেন এবং অবশ্যই তাদেরকে আপনাদের এটি সরবরাহ করতে হবে।’
মন্ত্রী বলেন,‘দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরেজমিনে এসে দেখার জন্য, আমি খুব শীঘ্রই ত্রাণ এবং কৃষি মন্ত্রীকে সুনামগঞ্জে আনার চেষ্টা করবো।’
সভায় বক্তব্য রাখার সময় ড. জয়া সেন গুপ্তা বলেন,‘আমি বিচলিত, সব মানুষ আমাদের, সভায় বসে কাউকে দোষাদোষী না করে আমরা যেসব কথা বলেছি, যেমন অনিয়মের তদন্তের কথা এসেছে, সেটি যেন জনসমক্ষে আসে, তাহলে ভবিষ্যতে এসব আর হবে না। আমরা দুর্ভোগে আক্রান্ত কৃষকদের সহায়তা নিয়ে কথা বলেছি, যেমন কৃষি ঋণ মওকুফ, নতুন করে কৃষি ঋণ প্রদান এসব বিষয় সকলের প্রচেষ্টায় বাস্তবায়ন করতে হবে, তাহলেই কাজ করা হবে।’
সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক বলেন,‘কৃষকদের পাশে সকলকে সম্মিলিতভাবে দাঁড়াতে হবে, পিআইসি গঠনের জন্য আরও আগে তাগাদা দিতে হবে, কাজও আগে শেষ করতে হবে, পিআইসিরা দুর্নীতি করলে আইনের আওতায় আনতে হবে। ঠিকাদার কোথায় কাজ পেয়েছে, কাজ করেছে কী না, না করলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে’।
সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন,‘আমার কাছে তথ্য রয়েছে পাউবোর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাগণ পিআইসিদের কাছ থেকে ১০ ভাগ করে কমিশন আদায় করেন। পিআইসিরা বিল নিতে আসলে দিনের পর দিন শহরে হোটেলে থাকতে হয়। হাওরের বোরো ফসল ডুবির ঘটনায় তদন্ত হোক। প্রয়োজনে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা দায়ের করা হোক। যারাই বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে জড়িত তাদের শাস্তির দাবি জানাই। সবার জানার স্বার্থে দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারদের তালিকা সাংবাদিকদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। তদন্ত রিপোর্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হোক। তদন্ত প্রতিবেদন সাংবাদিকদের কাছে দেয়া হোক। জরুরী ত্রাণ সহায়তা, ১০ টাকা কেজির চাল ও খোলা বাজারের চাল ও আটা বিক্রি ইউনিয়নে ইউনিয়নে করতে হবে।  এমপি সাহেবদের দোষারোপ করা হয়, কিন্তু এমপি সাহেবরা সব সময় কৃষকদের পাশে থাকেন মাঠেই থাকেন। একে অন্যকে দোষারোপ না করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে হবে। আগামীতে যাতে এই বছরের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। ’
সংসদ সদস্য অ্যাড. পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ বলেন,‘বোরো ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ কোথাও ৭০ ভাগ হয়নি। পাউবো কর্মকর্তাদের দাবি অসত্য। বাঁধ ও ফসল তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বাঁধ নির্মাণে ঠিকাদার বা পিআইসি কিংবা যে বা যারাই জড়িত থাকুক না কেন, খোঁজে বের করতে হবে। তদন্ত হওয়ার আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে যেন কোন অর্থ ছাড় না দেয়া হয়। ১০ টাকা কেজির চাল বিক্রির তালিকা বৃদ্ধি করতে হবে। এই কর্মসূচি সুনামগঞ্জের জন্য নিয়মিত করতে আমি খাদ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি। সারা জেলার দাবি অনুযায়ী সুনামগঞ্জকে দুর্গত ঘোষণা করতে হবে। ’
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শামছুন নাহার বেগম শাহানা বলেছেন,‘আমাদের নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত কৃষিবান্ধব ও মমতাময়ী। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি সুনামগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাড়াবেন।  ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিবেন। আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার কৃষকদের সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা করবেন। সুনামগঞ্জবাসীর পাশে থাকবেন।’
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান সিলেটের আঞ্চলিক প্রধান প্রকৌশলীকে প্রশ্ন করেন গণমাধ্যমকর্মীদের পক্ষ থেকে যেসব কথা বলা হয়েছে- সেগুলো কী আপনি অস্বীকার করতে পারেন? প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাই উত্তরে বলেন, ‘না স্যার’। মতিউর রহমান বলেন,‘সাংবাদিক যে অভিযোগ করেছেন, সেগুলো শাস্তিযোগ্য কী না? প্রধান প্রকৌশলী বলেন, ‘শাস্তিযোগ্য স্যার’। মতিউর রহমান বলেন,‘তাহলে তাকে (নির্বাহী প্রকৌশলীকে) বরখাস্ত করা হোক। লাখ লাখ কৃষকের ধান পানির নীচে তলিয়ে গেছে। এক ফসলি জেলা সুনামগঞ্জ। মানুষ হাহাকার করছে। আপনি ঔদ্ধত্বপূর্ণ কথা বলছেন। আপনাকে অনেক সম্মান করা হয়েছে। অন্য জেলায় হলে এভাবে সম্মান পেতেন না, সুনামগঞ্জের সাংবাদিকসহ সকলেই ভদ্র, অন্যকে সম্মান দিতে জানে।’
সভাপতির বক্তব্যে জলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইতিমধ্যে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়গণ ডিও লেটার দিয়েছেন কৃষকদের পুনর্বাসন করার জন্য। এখন কৃষকদের পুর্নবাসন কীভাবে হবে, সে বিষয়ে কাজ চলছে। আজ সকালেও এবিষয়ে কৃষি’র ডিজি স্যারের সাথে কথা হয়েছে। কিভাবে আগামীতে ফসল রক্ষা করা যায়, সেই কাজ আমাদের করা উচিৎ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা এখন কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন’।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল হুদা মুকুট বলেন, ‘এবছর থেকে হাওরপাড়ে মানুষ, হাওর যার বেশি জমি আছে তাকে পিআইসি’র কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। তাহলেই বাঁধ টিকবে। অন্য জায়গার মানুষ, যার এই হাওরে ধান নেই, জমি নাই তার দায়িত্ব থাকবে না, তাকে পিআইসিতে রাখা যাবে না’।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম.এনামুল কবির ইমন বলেছেন,‘পিআইসি সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্য হওয়া উচিত কৃষকদেরকেই। কারণ বাঁধ নির্মাণে ঠিকাদারি প্রথা খুব একটা কাজে লাগেনি। আজকের সভায় আলোচিত পিআইসি ও ঠিকাদারদের দুর্নীতির বিষয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া উচিত। দুদকেও মামলা হতে পারে। ’
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যারিস্টার ইমন বলেন, আপনি অর্থ ও পরিকল্পনা ২টি মন্ত্রণালয়েরই দয়িত্বে রয়েছেন,ভবিষ্যতে সুনামগঞ্জে কৃষকদের ফসল  ঘরে উঠা নিশ্চিত করতে আপনি একটি মহাপরিকল্পনা করলে সুনামগঞ্জবাসী উপকৃত হবে।  
পৌর মেয়র আয়ুব বখ্ত জগলুল বলেন, ‘জেলার সব কয়টি হাওর ডুবে গেছে। তবে দোষীরা যেই হোক না কেন, যে যতবড় ঠিকাদার হোক না কেন শাস্তি অব্যশই পেতে হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যদি পিআইসিরাও জড়িত থাকে তাহলে তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’   
প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাড. আফতাব উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই জেলায় উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে কিছু অসৎ কর্মচারী ও ঠিকাদার কাজ করছে। এই ঠিকাদাররা এই সুনামগঞ্জের না, এরা অন্য জেলার। কোনদিন সুনামগঞ্জে আসে না, এমনকি ঠিকমতো বাঁধের কাজও করে না। আমি দেখেছি বর্ষার শেষের দিকে এই ঠিকাদাররা অফিসারদের বাসায় টাকা নিয়ে যায়। তাদের উদ্দেশ্য মানুষের সেবা করা নয়, তাদের পকেট ভারী করা। বেশীর ভাগ অফিসারদের দেখবেন, তাদের পরিবার সুনামগঞ্জে থাকেনা তারা সবাই থাকে ঢাকায়। আর সপ্তাহে ৪ দিন থাকে তারা ঢাকায়। এদের দিয়ে এভাবে কাজ করানো যাবেনা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের আইনের আওতায় আনতে হবে। শুধু তদন্ত করলে হবে না সুনামগঞ্জ জেলাবাসীর দাবি হলো এদেরকে খুব দ্রুত আইনের আওতায় আনা।’  

  • [১]