- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

বিশ্বম্ভরপুরে পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ

স্বপন কুমার বর্মন, বিশ্বম্ভরপুর
বিশ্বম্ভরপুরে পাহাড়ি ঢলে ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে ভয়াবহ বন্যায় ৫০ হাজারের অধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত পানি বাড়তে থাকায় উপজেলা সদর, ফতেপুর ইউনিয়নে রায়পুর বাহাদুরপুর, গোপালপুর, চান্দারগাঁও, কাটাখালী, চাতলপাড়, ঘাগটিয়া, পলাশ ইউনিয়নের প্যারিনগর, পদ্মনগর, ধরেরপাড়, কৃষ্ণনগর, মুক্তিখলা, মল্লিকপুর, নতুনপাড়া, রংপুর, রনবিদ্যা, বাদাঘাট (দ:) ইউনিয়নের শ্রধরপুর, সোনাপুর, বাঘমারা, দূর্গাপুর, ব্রজনাথপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
উপজেলা সদরে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্নস্থানে বন্যাআশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্যারীনগর, ধরেরপাড় উপজেলা সদরসহ কয়েকটি বন্যাআশ্রয় কেন্দ্রে লোকজন আশ্রয় নিয়েছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায় এ পর্যন্ত ৬০ মে.টন চাল, ২০০ প্যাকেট শুকনো খাবার, নগদ ২ লক্ষ টাকা এবং গো খাদ্যের জন্য ২৬ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
বন্যায় বিশ্বম্ভরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপদ রাস্তায় পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। অপরদিকে বিশ্বম্ভরপুর-তাহিরপুর সড়কেও যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাছাড়া ফতেপুর, বাদাঘাট (দ:) পলাশ ও সলুকাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীণ রাস্তগুলো ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছন্ন রয়েছে।
ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: ফারুক আহমদ বলেন, বন্যার কারণে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। পানিবন্দি মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।
বাদাঘাট (দ:) ইউপি চেয়ারম্যান মো: ছবাব মিয়া বলেন, হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
বন্যায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ, বিভিন্ন অফিস পাড়ার প্রাঙ্গন, সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সামনে পানি উঠেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাদি উর রহিম জাদিদ বলেন, বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে প্রশাসনের পক্ষে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। বন্যাকবলিত মানুষের খোঁজ খবর রাখার জন্য সদরে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে এবং বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

  • [১]