- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

বিশ্বম্ভরপুরে ফসল তোলার কাজে শিক্ষার্থীরাও

স্বপন কুমার বর্মন, বিশ্বম্ভরপুর
বিশ্বম্ভরপুরের কৃষক, শ্রমিক ও শিক্ষার্থী সহ সর্বস্তরের নারী -পুরুষ বৈশাখী ধান কাটা এবং ধান ঘরে তোলার কাজ করছেন। প্রতিটি হাওরে বোর ধান কাটার ধুম পড়েছে। বাতাসে এখন বোর ধানের সুগন্ধ। হাওর পাড়েরর সবাই এখন ধান কাটা ও ধান, খড় শুকিয়ে ঘরে তুলতে ব্যস্ত। করোনা ভাইরাস আতঙ্কে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠটান বন্ধ রয়েছে। উপজেলার বাইরে থেকে যে সমস্ত শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করছে তারাও নিজেদের বাড়িতে এসেছে। বর্তমানে বাড়িতে থাকা শিক্ষার্থীরা বৈশাখী কাজ করে পরিবারকে সহায়তা করছে।
উপজেলা সদর হাওর পাড়ের কৃষ্ণনগর গ্রামের এ বছর মাষ্টার্স পরীক্ষার্থী শুভ বর্মণ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের ১ম বর্ষ শিক্ষার্থী র্দূজয় বর্মন এবং মুক্তিখলা গ্রামের এমসি কলেজে অর্নাস পড়ুয়া শিক্ষার্থী রাজু আহমদ বৈশাখী ধান ঘরে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। ধান শুকানো, গো-খাদ্যর খড় শুকানো ও ধান গোলায় তুলতে সহায়তা করছে।
এছাড়াও হাড়র পাড়ের প্রতিটি এলাকাতেই শিক্ষার্থীরা বোর ধান তুলার কাজ করছেন। কৃষকের পাশাপাশি কৃষানী বা গৃহিনী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও ধান শুকানো সহ বৈশাখী নান কাজ করছেন। চলতি বছর হাওরে বামপার ফলন হয়েছে। করোনা ভাইরাস আতঙ্ক থাকা সতেও হাওর পাড়ের কৃষকরা মনের আনন্দে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ধান কাটা ও ঘরে তুলার কাজে ব্যস্থ সময় কাটাছেন। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জানা যায় হাওরে ৫০শতাংশ বোর ধান কাটা হয়েছে।
এ বছর হাওরে বোর ধান কাটায় শ্রমিক সংকট নেই। এলাকার শ্রমিকরা প্রতিদিন হাওরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ধান কাটছেন। বাম্পার ফলন হওয়ায় এবং আবহাওয়া ভালো থাকায় ধান কাটা শ্রমিকরাও আনন্দিত।
কাছিরগাতি গ্রামের ধান কাটার শ্রমিক সামছুল ইসলাম বলেন, এ বছর ধান কেটে আমরা লাভবান হবো। কারন বাম্পার ফলন হয়েছে, কৃষকরাও অত্যান্ত খুশি।
মাড়াই কলের শ্রমিক ও মালিক মিজানুর রহমান বলেন বিশ্বম্ভরপুরের বোর ধান কাটা পরিস্থিতি অনেক ভালো অবস্থায় আছে।

  • [১]