স্বপন কুমার বর্মন, বিশ্বম্ভরপুর
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বর্তমানে হাওর পার্শ্ববতীর্ নদীতে পানি কিছু কমায় কৃষকদের মাঝে সাময়িক স্বস্তি ফিরে এসেছে। হাওরে কিছু কিছু এলাকায় ধান কাটা শুরু হয়েছে। উপজেলার চান্দারগাঁও গ্রামের কৃষক গিয়াস উদ্দিন বলেন, তিনি ৭ বিঘা জমির ২৮ জাতের ধান কেটেছেন। ব্রজনাথপুর গ্রামের কুল গোবিন্দ বিশ্বাস জানালেন তিনি ৮ বিঘা জমির ধান কেটেছেন।
তবে আঙ্গারুলী হাওরসহ বিভিন্ন হাওরে ব্লাস্ট নামক রোগে ধানের ক্ষতি হচ্ছে। ব্রজনাথপুর গ্রামের কৃষ্ণ বিশ্বাস, লক্ষীপুর গ্রামের জগন্নাথ বিশ্বাস বলেন হাওরে জমির ধান সাদা হয়ে মরে যাচ্ছে। ধানে চাউল নেই চিটা হয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নয়ন মিয়া বলেন, উপজেলায় হাওর ও হাওর বহিরভূর্ত মোট ১০ হাজার ৬শত’ হেক্টের জমিতে বোর ধান চাষাবাদ হয়েছে। হাওরে ধান কাটা শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ৪৫৫ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। আমরা দ্রুত ধান কাটার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। ব্লাস্ট রোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, আবহাওয়ার কারণে ব্লাস্ট রোগ হয়। কৃষকদেরকে আমরা পরামর্শ দিচ্ছি ব্লাস্ট রোগ দেখা দিলে জরুরী ভাবে প্রতিশেধক ঔষুধ ছিটানোর জন্য।
পাউবোর দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ—সহকারি প্রকৌশলী মনসুর রহমান বলেন, পাউবোর পাশাপাশি কৃষক জনতার সহযোগিতায় বাঁধ মোটামুটি ভাবে ভালো আছে। বাঁধ সুরক্ষায় কাজ চলমান রয়েছে।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. সাদি উর রহিম জাদিদ বলেন, করচার হাওর, আঙ্গারলী হাওরসহ বিভিন্ন বাঁধ ঝঁুকির মধ্যে ছিল। পাউবো সহ এলাকার স্থানীয় কৃষক জনতা এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকতার্, জন প্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনসাধারণের সহযোগিতায় বাঁধ রক্ষা করেছি। তিনি বলেন, বাঁধের কাজ চলমান রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক বাঁধ রক্ষায় কাজ করেছি।