- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

বিশ্বম্ভরপুর একটি বাঁধে কেবল মাটি দেয়া শুরু

স্টাফ রিপোর্টার
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের আদাং এলাকায় ২টি পিআইসি’র বেড়িবাঁধ রয়েছে। একটি পিআইসি’র বেড়িবাঁধের কাজ মোটামুটি সম্পন্ন হলেও অপর পিআইসি’র বাঁধের কাজ সময়সীমার মধ্যে শুরুই হয়নি। শুরু হয়েছে মাত্র ৫ দিন আগে।
সলুকাবাদ ইউনিয়নের আদাং এলাকায় ৩৩ নম্বর ও ৩৪ নম্বর পিআইসি । তন্মধ্যে ৩৩ নম্বর পিআইসি’র নির্মিত বেড়িবাঁধের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে নির্ধারিত সময়সীমার ভেতরে। কিন্তু ৩৪ নম্বর পিআইসির কাজ মাত্র ৫ দিন আগে শুরু হয়েছে। বাঁধের সকল স্থানে মাটি ফেলা হয়নি। নামেমাত্র কয়েক স্থানে অগোছালোভাবে মাটি ভরাট করা হয়েছে। সাইনবোর্ড নেই বাঁধের আশপাশ এলাকায়ও। এই বাঁধের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২৭ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। কমিটিতে কিঞ্চিৎ অর্ন্তদ্বন্দ্ব থাকায় সভাপতি, সদস্য সচিব বাঁধে অবস্থান করে কাজ করাতে চাননি। দায়িত্ব দিয়েছেন পিআইসির সদস্য আতাউর রহমানকে।
রবিবার দুপুর পর্যন্ত বাঁধের কাজ হয়েছে আনুমানিক ৪০ ভাগ। প্রায় দেড় শত মিটার বাঁধে মাটিই পড়েনি। এই সময় পিআইসি’র সদস্য আতাউর রহমানের সঙ্গে আলাপ করলে তিনি বলেন, সভাপতি, সদস্য সচিবসহ কোনো সদস্য বাঁধে উপস্থিত থেকে কাজ করাতে আসেননি। আমি যা পারি কাজ করাচ্ছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে বলেন, আমি যে এই বাঁধের কাজ করাচ্ছি এটাই বেশি। বাঁধের কাজ না করলে সরকারও কিছু করতে পারবে না আমাকে। আপনারা আবার বলছেন ৫ দিন আগে কেন বাঁধের কাজ শুরু করেছি।
৩৪ নম্বর পিআইসি’র সদস্য সচিব ধনু মিয়া বলেন, সময়মত কাজ শুরু করতে পারিনি। মেশিন নষ্ট হয় বার বার। এখন কাজ তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।
বিশ্বম্ভরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনছুর রহমান বলেন, আমি আজ (রবিবার) বিকালে ৩৪ নম্বর পিআইসি’র বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করবো।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাদি উর রহিম জাদিদ বলেন, ৩৪ নম্বর পিআইসি’র অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খুঁজে দেখা হবে।

  • [১]