স্টাফ রিপোর্টার
তথ্য প্রদানের জন্য বিশ্বের সর্ববৃহৎ ওয়েবপোর্টাল এখন বাংলাদেশে। জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য সংবিধানের মধ্যে তথ্য অধিকার আইন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৯ সালে ৯ম সংসদের প্রথম অধিবেশনে তথ্য অধিকার আইন ও মানবাধিকার আইন দুটি পাস হয়। তথ্য পাওয়ার অধিকার সকলের আছে। তথ্য চাওয়ার অনেক নিয়ম কানুন আছে, তথ্য জানতে সেগুলো ভাল করে বুঝতে হবে। জেলার সকল অফিস ও আদালতের একটি সিটিজেন চার্টারে দেওয়া থাকে তথ্য জানতে চাইলে নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে তথ্য জানতে হবে। সরকার ইউনিয়ন, পৌরসভায় ডিজিটাল সেন্টার দিয়েছে জনগণকে স্বেচ্ছায় তথ্য দেওয়ার জন্য। জনগণের কল্যাণে তথ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক তথ্যের প্রবাহের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব। সঠিক নিয়ম মেনে তথ্য চাওয়ার পরে যদি তথ্য না পাওয়া যায় তাহলে সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব আমরা।
রোববার সকাল ১০টায় শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে ‘তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ জনঅবহিতকরণ’ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমেদ।
সভায় তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন দেশে সফর শেষে এসে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে দেশের জনগণকে সকল তথ্য জানান। তথ্য লুকিয়ে দেশের উন্নয়ন করা যাবে না। বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মডেল। ২০৪১ সালের ভিতরে কেউ দরিদ্র থাকবে না। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন প্রণোদনার মাধ্যমে এ বছর ৭৫ হাজার কোটি টাকা জনগণের কল্যাণে ব্যয় করেছে।
জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন’র সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র নাদের বখত, সিভিল সার্জন ডা. মো. শামস উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) অসীম চন্দ্র বনিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আবু সাঈদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান। সভা পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার শিল্পী রাণী মোদক।