স্টাফ রিপোর্টার
চার মরদেহের পাশে বসে রঞ্জিত সরকারের মা ষাটোর্দ্ধ চারুবালা সরকার এবং রঞ্জিতের ৩ সন্তান নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিপা সরকার (১৫), ছেলে ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থী রূপান্তর সরকার (১০) ও মেয়ে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী পিয়াসি সরকার (৮) কেবল আহাজারি করছিলো। তাদের কান্নায় পুরো গ্রামে হৃদয় বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গ্রামে শত শত মানুষ এসময় কাঁদছিলেন।
চারুবালা সরকার কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, ‘আমি অর্র্ধঙ্গি (প্যারালাইজড) রোগী, আমাকে কে খাওয়াবে, আমি কোথায় যাবো। আমার নাতিরা পড়াশুনা করবে কীভাবে-খাওয়াবে কে?’ তিনি বার বার মুর্চ্ছা যাচ্ছিলেন। মেয়ে রিপা সরকারও কাঁদতে কাঁদতে মুর্চ্ছা যাচ্ছিল।
গ্রামের সমাজকর্মী মিন্টু তালুকদার বলেন,‘রঞ্জিত সরকার একেবারেই হতদরিদ্র মানুষ ছিলেন। নিজে দিনমজুরের কাজ করতেন। তাঁর স্ত্রীও অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাতেন এবং সন্তানদের পড়াশুনা করাতেন। এখন এদের কে খাওয়াবে? কে দেখবে?’