সু.খবর ডেস্ক
গল টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হয়েছে আজ। বৃষ্টির কারণে এদিন আগেভাগেই দিনের খেলা শেষ করা হয়। তৃতীয় দিন শেষে ম্যাচে ১৮২ রানে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ, এখন ম্যাচে চালকের আসনে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। বুধবার দুই উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান সংগ্রহ করে দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ফলো-অন এড়াতে পারবে কিনা এক পর্যায়ে তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সপ্তম উইকেট জুটিতে মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের ১০৬ রানের পার্টনারশীপে ফলো-অন এড়াতে সক্ষয় হয় বাংলাদেশ। টাইগাররা অলআউট হয়ে যায় ৩১২ রানে। গত মঙ্গলবার ম্যাচের প্রথমদিন টস জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। প্রথম ইনিংসে তারা ৪৯৪ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়ে যায়। অর্থাৎ, প্রথম ইনিংস শেষে এখন ১৮২ রানে পিছিয়ে রয়েছে মুশফিকুর রহিমরা।
বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই সাজঘরে ফিরে যান সৌম্য সরকার। আগেরদিনের রানের সাথে আজ ৫ রান যোগ করেন তিনি। ৬৬ রান করে অপরাজিত থাকা সৌম্য সরকার আজ আউট হন ৭১ রান করে। এরপর সাকিব আল হাসান ব্যাট করতে নেমে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ব্যক্তিগত ২৩ রানে সাজঘরে ফেরেন।
এরপর মাহমুদউল্লাহ ও লিটন দাসও দ্রুত ফিরে যান। তবে, সপ্তম উইকেট জুটিতে মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ ১০৬ রানের পার্টনারশীপ গড়েন। ইনিংসের ৯১তম ওভারের প্রথম ও দ্বিতীয় বলে সাজঘরে ফিরে যান মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ। উইকেট দুইটি নেন দিলরুয়ান পেরেরা। দলীয় ৩০৮ রানে রঙ্গনা হেরাথের বলে বোল্ড হয়ে যান মুশফিকুর রহিম। তিনিই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ব্যক্তিগত ৮৫ রানে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। এরপর ৩১২ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। লঙ্কান স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ ৩টি, দিলরুয়ান পেরেরা ৩টি ও লক্ষণ সান্দাকান ১টি করে উইকেট নেন। আর পেসারদের মধ্যে লাহিরু কুমারা ১টি ও সুরঙ্গা লাকমল ১টি করে উইকেট নেন।
গলের আকাশে সকাল থেকেই মেঘের আনাগোনা ছিল। বাংলাদেশ সময় তখন প্রায় তিনটা, বাংলাদেশের রান ৯ উইকেটে ৩১২। কালো মেঘে প্রায় অন্ধকার গল। সঙ্গে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি। বাংলাদেশ অলঅউট হওয়ার পরই হয়তো চা বিরতি দিতেন আম্পায়ার। কিন্তু বৃষ্টি আর আলোক স্বল্পতার কারণে একটু আগে ভাগেই চা বিরতি দেন আম্পায়াররা।
অবস্থার উন্নতি হলে বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটার দিকে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত সেই ৪ রানেই আউট হয়ে যান মোস্তাফিজ। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামে ৩১২ রানে।
এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কান দুই ওপেনার। কিন্তু বল মাঠে গড়ানোর আগেই শুরু হয় বৃষ্টি। ফলে দ্বিতীয়বারের মতো খেলা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর খেলা অনুষ্ঠিত হয়নি।