স্টাফ রিপোর্টার
হাওরের বোরো ফসলহানির পর সুনামগঞ্জের ১ লাখ ৬৮ হাজার পরিবারকে সরকারিভাবে দেয়া বিশেষ ভিজিএফ-এর মাধ্যমে প্রতিমাসে ৩০ কেজি চাল ও নগদ ৫০০ টাকা বণ্টনে অনিয়ম হয় বলে মন্ত্রী পরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের কাছে কিছু প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল। গত ২১ সেপ্টেম্বর পৃথকভাবে চিঠির মাধ্যমে প্রস্তাবনাগুলো প্রেরণ করেন তিনি।
প্রস্তাবনায় তিনি উল্লেখ করেন, চাল বণ্টন নিয়ে অনিয়ম দুনীর্তি হয়। বণ্টনকারী কর্তৃক ওজনে কম দেওয়া, উপকারভোগী
অনেকেই দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার হওয়ায় সময়মত আসতে পারেন না। গোদাম থেকে চাল কম দেওয়া এমনসব বিষয় স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ লেগেই আছে। ডিজিটালাইজেশন কার্যকরণ হবে বিবেচনায় দয়া করে প্রতিজন এর নামে চালের মূল্য (টাকা) ব্যাংক একাউন্টে পাঠালে অনিয়ম দুর্নীতি হয়ত হবে না। পূর্ববর্তী ১০ টাকায় কৃষকদের ব্যাংক হিসাব ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল। তাই সহায়তা বান্ধব সরকারের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে হলে দয়া করে এ কাজটি করা প্রয়োজন মনে করি। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত শুনানীতে ডাকলে দু:খজনক বাস্তবতা তুলে ধরবেন।
প্রস্তাবনার অনুলিপি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসককে দিয়েছেন। প্রস্তাবনায় তিনি উল্লেখ করেন, এই বিষয়টি জেলা প্রশাসনের মাসিক সভার আলোচনায় উত্থাপিত হয়েছিল।
এছাড়া গত ১৭ সেপ্টেম্বর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সুনামগঞ্জ জেলার সকল বিভাগে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখ পর্যন্ত ক্যাটাগরিভিত্তিক কতটি শূন্যপদ রয়েছে তার প্রতিবেদন জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উত্থাপনের দাবি জানান। পরে ২১ সেপ্টেম্বর ওই বিষয়টি পৃথক আরেকটি চিঠির মারফত জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেন তিনি।