- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

ভিজিএফ ও ভিজিডির বরাদ্দ আত্মসাত- ফেনারবাঁকের ইউপি সদস্য ইয়াছিন মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
জামালগঞ্জের ফেনারবাঁক ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. ইয়াছিন মিয়ার বিরুদ্ধে ভিজিএফ ও ভিজিডির বরাদ্দ আত্মসাত করার অভিযোগে সুনামগঞ্জ স্পেশাল জজ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার এই মামলাটি দায়ের করেছেন ইউনিয়নের    
ফেনারবাঁক গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল জলিল তালুকদার।
আদালত মামলাটি গ্রহণ করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ধারা মোতাবেক যথাযথ পক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়েছেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ফেনারবাঁক ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. ইয়াছিন মিয়া ফেনারবাঁক গ্রামের আব্দুল জলিল তালুকদারকে ভিজিএফের তালিকাভুক্ত করেন। তিনি ভিজিএফের প্রথম কিস্তির ৩ কেজি চাল ও নগদ ৫০০ টাকা পান। এরপর তাকে আর কোন চাল ও টাকা প্রদান না করে ইউপি সদস্য মো. ইয়াছিন মিয়া সবকিছুই আত্মসাত করেন। এভাবে দরিদ্রদের নামে বরাদ্দকৃত চাল ও নগদ টাকা না দিয়ে আত্মসাত করেন তিনি।
ইউপি সদস্য ইয়াছিন মিয়া তার আপন ভাই জাকির হোসেন, জাহির হোসেন, আকির হোসেন, আকল হোসেন, আপন ভাতিজা আকলিছ রহমানকে তালিকাভুক্ত করে চাল ও টাকা আত্মসাত করেছেন। এমনকি ভাই-ভাতিজাদের স্ত্রী ও সন্তান, আপন চাচাতো বোন রুপনা আক্তার ও তার স্বামী জাকির হোসেনকে  ভিজিডির তালিকাভুক্ত করে সকল বরাদ্দ আত্মসাত করছেন। একই ব্যক্তিকে দুই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ও তিনটি পরিবারের স্বামী-স্ত্রীকে ভিজিএফের বরাদ্দ প্রদান না করে আত্মসাত করেছেন। ফেনারবাঁক গ্রামের মিরাজ আলীর ছেলে গোলাম হোসেন, আবুল কামাল তালুকদারের ছেলে নাজমুল হক ও কলমদর মিয়ার ছেলে টিপু মিয়া ও তাদের স্ত্রী সন্তান সিলেটের বিয়ানীবাজার এলাকায় থাকলেও তাদের নামে ভিজিএফ বরাদ্দ করে ইউপি সদস্য ইয়াছিন মিয়া নিজে আত্মসাত করেন।
ইউপি সদস্য ইয়াছিন মিয়ার বিরুদ্ধে এসব অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে গত ১৯ অক্টোবর সিলেট দুর্নীতি দমন কমিশন অফিসে অভিযোগ করতে গেলে আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য বলা হয়।   

  • [১]