শহীদ নূর আহমেদ
মহালয়ার মাধ্যমে মাতৃপক্ষ শুরু তথা দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন বার্তা গতকাল থেকেই শুরু হয়ে গেলেও মণ্ডপে মণ্ডপে আগামী রবিবার থেকে ষষ্ঠী পূজারি মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গা পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। সকল বিভেদ ভুলে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এক কাতারে মিলিত হন এই উৎসবে। মা দুর্গার কৃপা লাভের জন্য যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্বীর্য বজায় রেখে পালন করার লক্ষ্যে এখন মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা স্থাপনের শেষ পর্যায়ের কাজ জোরেশোরে চলতে দেখা গেছে। পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায় ইতোমধ্যে জেলা শহরের ম-পগুলোর প্রতিমা প্রস্তুুতের কাজ প্রায় শেষের পথে। চলছে শেষ মুহূর্তের টুকিটাকি কাজ। বরাবরের মতো এবারও জেলা শহরের লোকজনের দৃষ্টি থাকছে পূর্ব নতুন পাড়ার সার্বজনীন দূর্গামন্দিরে দিকে। মূল পূজাম-পের কারুকার্যতা, স্থাপত্য শিল্প ও বর্ণিল আলোকসজ্জ্বা এবারও দর্শক সন্তুষ্টি অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করলেন পূজা কমিটির আয়োজকরা। সরেজমিনে ঘুরে ও আয়োজক কমিটির সাথে কথা বলে জানা যায়, পূর্ব নতুন পাড়ার সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে মূল মন্ডপের সাথে মন্দিরের দুপাশের দেয়ালে দেবদেবী ও মুনিবঋষিদের ছবি সম্বলিত ম্যুরাল স্থাপন করা হয়েছে। ম্যুরালের উপরে নীচে প্রাচীন স্থাপত্যরীতি টেরাকোটার কাজ করা হয়েছে । দেবদবী ও মুনিঋষিদের এমন ম্যুরাল দেখে সকলে খুশি হবেন বলে আশাবাদী আয়োজকরা। মণ্ডপ ও দীর্ঘ প্যান্ডেল বর্ণিল আলোয় আলোকিত থাকবে।
পূর্ব নতুনপাড়া সার্বজনীন পূজা কমিটির সহ-সভাপতি নারায়ন চক্রবর্তী মণ্ডপ সম্পর্কে বলেন, এই ম-পটি জেলার সবচেয়ে বড় মণ্ডপ। বরাবরের মতো এবারও আমরা নতুন আঙ্গিকে পূজা মণ্ডপ সাজিয়েছি। তিন দিনের এই পূজা আয়োজনে মণ্ডপটি ঘুরে দেখতে সকল দর্শনার্থীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ এবার পৌর শহরের সার্বজনীন ও পারিবারিক মিলে প্রায় ২৩ টি পূজাম-পে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।