স্টাফ রিপোর্টার
সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসক ‘গৌতম ডাক্তার’ (ডা. গৌতম রায়কে) প্রায় ২০ দিন আইসোলেশনে থেকে করোনামুক্ত হয়েছেন। করোনাজয়ী এই জনপ্রিয় ডাক্তার এই প্রতিবেদককে বলেন, মনোবল চাঙা রাখলেই করোনা থেকে সুস্থ্য হওয়া সহজ হয়।
গত ১৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালের (করোনা ইউনিট) উপপরিচালক সুনামগঞ্জের বাসিন্দা ডা. গৌতম রায়’এঁর শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।
ডা. গৌতম বললেন, ‘নমুনা পরীক্ষার পর যখন শুনেছি আমি পজিটিভ বিচলিত হইনি। মনের মধ্যে কোন ধরনের শঙ্খা ভীতিও কাজ করেনি। জ¦র, সর্দি, কাশি হয়েই থাকে। আত্মবিশ^াস রেখেই হাসপাতালের ডরমেটরিতে আলাদা থেকেছি। মোবাইলে হাসপাতালের কাজেও যুক্ত থাকার চেষ্টা করেছি। আত্মীয়-স্বজন পরিবার পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছি। প্রতিরোধমুলক বা শক্তিবর্ধক খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেছি। যেমন আমের ডাল, আমের টক, কাছা আমের তরকারি, টমেটো, মালট্রাসহ নানা জাতের ফল খেয়েছি। যতবারই পানি তৃষ্ণা দেখা দিয়েছে সময় নিয়ে মুখে রেখে রেখে চা খাবার মতো গরম পানি খেয়েছি। আদার চা, লং-এলাচির চা খেয়েছি। মাছ, মাংস ও ডিম খেয়েছি। প্রিজের খাবার গরম না করে খাইনি। ওষুধের মধ্যে আমি কেবল মাল্টিলুকাস্ট গ্রুপের ওষুধ ৬-৭ দিন খেয়েছি। আমি কোন অ্যাজিথ্রোমাইসিন খাইনি। অসুস্থ্যতার বিষয়টি কখনোই মাথায় আনিনি।
নারায়ণগঞ্জের তিনশো শয্যা উপ-পরিচালক ডা. গৌতম রায়সহ আরো ১৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় গত ১৫ এপ্রিল করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল।