স্টাফ রিপোটার
রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মনোয়ার বখ্ত নেক স্মরণে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ড ও সদর উপজেলা সংসদ ইউনিট কমান্ড এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার মো. নুরুল মমিনের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাহগীর বখত ফারুক, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ, জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আল আজাদ, প্রবীণ শিক্ষক ধূর্জটি কুমার বসু, লেখক কলামিষ্ট অ্যাডভোকেট স্বপন কুমার দেব, জেলা জাসদ সভাপতি আ.ত.ম. সালেহ, জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি নৃপেশ তালুকদার নানু, অ্যাডভোকেট গোলাম মুস্তফা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মান্নারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আলী খান, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মকছুদ আলী, সহযোগি অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার, আনোয়ার বখ্ত সুবাস, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের ডেপুটি কমান্ডার মজিবুর রহমান চৌধুরী।
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর শেলী চৌহান ময়না ও চঞ্চল কুমার লোহ, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দুর রহমান, বিকাশ রঞ্জন ভানু প্রমুখ।
সাংবাদিক রওনক বখ্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মো. আবু সুফিয়ান, গীতা পাঠ করেন সুবিমল চক্রবর্তী চন্দন। আলোচনা সভা শেষে মনোয়ার বখত নেক’র শুভানুধ্যায়ীদের সাথে পরিচিত হন তাঁর বড় ছেলে আসওয়াদ বখ্ত তালহা। পরিচয় করিয়ে দেন, জেলা জাসদ সভাপতি আ.ত.ম. সালেহ।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, ‘সাবেক পৌর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মনোয়ার বখ্ত নেক ছিলেন অসাম্প্রদায়িক ও ত্যাগী সমাজসেবক। তিনি নিজের জান বাজি রেখে অন্যকে আগুন থেকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই দগ্ধ হন। এরপর আর সুস্থ হয়ে উঠেননি তিনি। ধনী-গরীব সকল মানুষের হৃদয়ে আছেন তিনি। তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
এরপর মনোয়ার বখ্ত নেকের বড় ছেলে আসওয়াদ বখ্ত তালহা তাঁর পিতার নামে ট্রাস্ট গঠনের আশ্বাস দেন। পরে এই ট্রাস্টের তহবিল গঠনের জন্য ১ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন তিনি। এ ছাড়াও আগামী ১ ডিসেম্বর মনোয়ার বখত নেকের ১৯তম মৃত্যুবাষির্কীতে একটি স্মরণিকা বের করতে লেখা আহ্বান করেন তিনি। এসময় মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ঠিকানায় লেখা সংগ্রহের আশ্বাস দেন।