স্টাফ রিপোর্টার
শহরের এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের মোড় থেকে মরাটিলা রোডে যাওয়ার পথে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন দুই কলেজ ছাত্র। ছিনতাইয়ের শিকার একজন কলেজ ছাত্রের নাম জানা গেলেও অন্যজনের নাম জানা যায় নি। দুই কলেজ ছাত্রের ম্যানি ব্যাগ মোবাইলসহ সব কিছু খোয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টার ব্যবধানে একই স্থানে দু’টি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। মরাটিলামুখি রাস্তার অন্ধকারচ্ছন্ন এলাকায় এই ঘটনা দু’টি ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবে ছিনতাইয়ের ঘটনা পুলিশকে অবগত করেন নি কেউ।
ছিনতাইয়ের শিকার পূর্ব নতুন পাড়ার বাসিন্দা কলেজ ছাত্র রঞ্জন কুমার দাস বলেন,‘ আমি শহরে টিউশনী করে কলেজের লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছি। টিউশনী শেষ করে বাসায় ফেরার পথে রাত প্রায় সাড়ে ১২ টার সময় এইচএমপি হাই স্কুলের মোড় পার হয়ে মরাটিলা রাস্তায় ঢুকার পর পরই অন্ধকারচ্ছন্ন একটি জায়গায় হঠাৎ করে তিন যুবক ছুড়ি দেখিয়ে পথরোধ করে। আমার কাছে যা কিছু আছে সব দিয়ে দেয়ার জন্য বলে। পকেট থেকে ম্যানিব্যাগ বের করতে দেরি করায় আমাকে মারধর শুরু করে। পরে ম্যানিব্যাগ ও মোবাইল ফোনসহ সব কিছু নিয়ে চলে যায়। এসময় নিজেকে রক্ষার করার জন্য আশপাশে কাউকে দেখতে পাইনি।’
রঞ্জন কুমার দাস আরো বলেন,‘ পরে শুনেছি এই রাস্তার ডা. নিলরতনের বাসার সামনে রাত ১০ টায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী আরেক ছাত্র একইভাবে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে। ওই ছাত্র ভাত খেতে পাড়ার এক বাসায় এসেছিল। পথে সে ছিনতাইয়ের শিকার হয়।’ তবে ওই ছাত্রের নাম জানতে পারেন নি তিনি।
মরাটিলা রোডের এক বাসিন্দা বলেন,‘পৌরসভার পশ্চিম পাশ দিয়ে মরাটিলা মসজিদ পর্যন্ত যে রাস্তাটি রয়েছে তার বেশ কিছু জায়গা অন্ধকারচ্ছন্ন থাকে, আর এসব স্থানেই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। অনেকেই লোক লজ্জার ভয়ে কাউকে বলতে চান না। পুলিশকেও অবগত করেন না। ’
সদর থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন,‘ মরাটিলা রাস্তায় বৃহস্পতিবার রাতে কোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কেউ বিষয়টি আমাদেরকে জানায় নি। খোঁজ খবর নেয়া হবে। রাস্তার অন্ধকারচ্ছন্ন জায়গায় এসব ঘটনা ঘটে থাকলে আলোর ব্যবস্থার জন্যপৌরসভা কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব।’
পৌর মেয়র আয়ুব বখত জগলুল বলেন,‘ মরাটিলা রাস্তায় কোন ছিনতাই হয়েছে বলে জানা নেই। এই রাস্তায় কোথাও অন্ধকার থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।’