স্টাফ রিপোর্টার
পবিত্র ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র বাড়ছে সব ধরনের মশলার দাম। বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা বাড়ায় মশলা জাতীয় পণোর দাম বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানের প্রত্যেকটি মশলা জাতীয় পণোর দাম বেড়েছে কেজিতে ১০-২০ টাকা করে। এদিকে ক্রেতারা মশলা সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম স্বাভাবিক রাখতে বাজার মনিটরিং জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বাজার ঘুরে দেখা যায়, আমদানিকৃত আদা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা থেকে ২৬০ টাকায়। এক মাস আগে এই আদা বিক্রি হয়েছে ১৮০-২০০ টাকা দরে।
১০-২০ টাকা করে বেড়ে এলাচ কেজি প্রতি ১৫শ’ থেকে ১৬শ’ টাকা, জিরা কেজি প্রতি সাড়ে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও দারুচিনি প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, লং ১৫শ’ টাকা, গোলমরিচ ৭০০ টাকা, মেথি ১৪০ টাকা, কালোজিরা ৩০০ টাকা, গোয়ামুড়ি ৩২০ টাকা, সাদা শস্য ১৩০ টাকা, লাল শস্য ১২০ টাকা, ধইন্যা ২০০ টাকা, তিসি ১৬০ টাকা, তেজপাতা ১০০ টাকা, হলুদ ৩০০ টাকা, মরিচ ৫০০ টাকা, কিচমিচ ৩০০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ী জ্যোতিকা বনিক, আলী আকবর বলেন, মসলা পণ্য বেশি দামে কিনে আনি তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।
তবে জগন্নাথ বাড়ি এলাকায় পাইকারি মশলা বিক্রেতা দীপ্ত বনিক বলেন, এখন পর্যন্ত পণ্যের দাম বাড়েনি। অন্য বছর ঈদের আগে যে ভাবে বেচাকেনা হয় এবার তা হচ্ছে না।
জগন্নাথ বাড়ি বাজারে জিরা কিনতে আসা আতাউর রহমান বলেন, প্রত্যেকটি পণ্যেরই দর বেড়েছে। ৮০০ টাকা কেজি দরে ৫০ গ্রাম জিরা ৪০ টাকায় কিনেছি। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।
জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আলআমিন বলেন, বাজার মনিটরিং আমাদের নিয়মিত কাজ। তারপরও ঈদকে সামনে রেখে বাজারে ব্যবসায়ীরা জিরা সহ পণ্যের দাম বাড়াতে চেষ্টা করবে। সারা দেশেই এমনটা হয়। সুযোগ পেলে দাম বাড়িয়ে দেয়। আমরা বাজার মনিটরিং নিয়মিত করব। যেন কোনো ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়াতে না পারে।