- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

মহানবীকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল/ সংসদে নিন্দা প্রস্তাবের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা এবং বিজেপির মিডিয়া ইনচার্জ নবীন কুমার জিন্দালের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর পৌর শহরের আলফাত স্কয়ারে ইমাম মোয়াজ্জিন পরিষদের আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ইমাম মোয়াজ্জিন পরিষদ সুনামগঞ্জের সভাপতি মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিবের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ইমাম মোয়াজ্জিন পরিষদের উপদেষ্টা হাফিজ আতাউর রহমান, সাজিদুর রহমান, মাও আনোয়ার হোসেন, মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা আব্দুর রকিব, দারুল উলুম মাদানীয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আব্দুল বাছির সহ সুনামগঞ্জের অন্যান্য ধর্মীয় নেতারা।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, সারাবিশ্বের সকল ধর্মের মানুষ জানে আমাদের নবী পবিত্র। তারা সবাই আমাদের নবীকে সম্মান করে। কিন্তু কিছু বিদেশি কুলাঙ্গাররা ইচ্ছা করেই বিশৃঙ্খলা করার উদ্দেশ্যে আমাদের ধর্ম, আমাদের নবীকে নিয়ে কটুক্তি করে। তাতে ধর্মীয় দ্বন্দ্ব বেধে যায়। যেমন করেছে ভারতের সরকার দলের মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও মিডিয়া ইনচার্জ নবীন কুমার।
বক্তারা প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের নীরবতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার নীরবতা আমাদের কষ্ট দিচ্ছে। ভারতের নেতাদের কটুক্তির প্রতিবাদে সারা মুসলিম বিশ্ব সরব হয়ে নিন্দা জানাচ্ছে, প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আপনি প্রমাণ করুন আপনি ইসলাম ধর্মকে ভালোবাসেন। পক্ষে হোক বিপক্ষে হোক আমরা চাই সংসদে এটা নিয়ে কথা বলুন। ভারতীয় হাই কমিশনকারকে তলব করে তীব্র নিন্দা জানান। ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কে খারাপ হওয়ার সতর্কতা দিন। বিশ্বের দ্বিতীয় ইসলাম ধর্মের দেশ বাংলাদেশে আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীর অপমান সহ্য করা হবে না।
শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে সমাবেশে যোগ দিতে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিক্ষুব্ধ মুসল্লিরা দলে দলে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে এসে জড়ো হয় আলফাত স্কয়ারে। এসময় তারা ‘বিশ্ব নবীর অপমান-সইবে না মুসলান;, ‘লেগেছেরে লেগেছে রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জনতার এ্যাকশন-ডাইরেক্ট একশ্যান’ সহ নানা প্রতিবাদী স্লোগান দিতে থাকেন। শ্লোগানে শ্লোগানে তারা নুপুর শর্মার ফাঁসি ও ভারতীয় পণ্য বয়কট করার দাবি জানান। সেই সাথে সংসদেও নিন্দা প্রস্তাব পাশ করার দাবি জানান।
প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি পুরাতন বাস স্টেশনের বাটা শো-রুমের সামনে এসে দোয়ার মাধ্যমে শেষ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কাজীর পয়েন্ট জামে মসজিদের খতিব মোহাম্মদ, পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব নুরুজ্জামান আলমগীর, ছাত্র যুব জমিয়ত সভাপতি, মাও ত্বাহা হোসাইন সহ অন্যান্যরা।

  • [১]