- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

মামলা দায়েরের পর সেই ভূমির স্থাপনা ভাঙা শুরু

জগন্নাথপুর অফিস
মামলা দায়েরের ১৭ দিন পর জগন্নাথপুরের সেই সরকারি ভূমির দখলদারগণ নিজেরাই চলাচল সড়কে থাকা সীমানা প্রাচীর ভাঙতে শুরু করেছেন। শুক্রবার সকাল থেকেই দেওয়াল ভাঙা শুরু করেন দখলদারগণ।
গত ২০ মার্চ পৌর শহরের হবিবপুর গ্রামের বাসিন্দা মুহিতুর রহমান তালুকদার নামে একজন আইনজীবী সুনামগঞ্জের সিনিয়র স্পেশাল জজ ও দায়রাজজ আদালতে এই নিয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম, উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুম, সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি ইয়াসির আরাফাত, সাবেক সার্ভেয়ার আব্দুল মোনায়েম খান, বর্তমান সার্ভেয়ার মুহিবুর রহমান ও ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা একে এম নাজমুল হুদা খানসহ দখলদার হবিবপুর গ্রামের বাসিন্দা আলকাব আলী, সিজিল মিয়া, রুহিন মিয়া, সুজাত মিয়া, আবু শায়েক, আলী আকবর, জামাল মিয়া কে আসামি করে মামলা করেন।
মামলার বাদী আইনজীবি মুহিতুর রহমান তালুকদার বললেন, পৌর এলাকার হবিবপুর মৌজার ১ নং খতিয়ানের ১২৫ নং দাগের ২২ শতক গোপাট ও রাস্তা রকম ভূমি ২০১৪ সালে বেদখল হয়। মামলা দায়ের হওয়ায় দখলদারগণ সরকারি ভূমিতে তাদের ঘর উচ্ছেদ না করে শুধু সীমানা প্রাচীর ভেঙে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করছেন।
দখলের অভিযোগ থাকা হবিবপুর গ্রামের রুহিন মিয়া বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলা ভূমি কার্যালয় থেকে সার্ভেয়ার এসে সরকারি জায়গা চিহ্নিত করে দিয়ে গেছেন। সেই অনুযায়ী আমরা উচ্ছেদ শুরু করেছি। তিনি বলেন, সার্ভেয়ারের মাপ অনুযায়ী কোন ঘর সরকারি জায়গায় পড়ে নি।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বলেন, এই সরকারি ভূমি দখলের সময় আমি এই উপজেলার দায়িত্বে ছিলাম না। যেহেতু এই জমি দখল মুক্ত করার জন্য মামলা হয়েছে, তাই আমরা দখলমুক্ত করার প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। দখলদারগণ খবর পেয়ে স্বপ্রণোদিতভাবে দখল ছাড়তে লিখিত আবেদন করলে সার্ভেয়ার সরকারি জমি চিহ্নিত করে দিয়েছেন। দখলদারগণ সীমানা প্রাচীর ও দোকানঘর ভেঙে দিচ্ছেন। তিনি বলেন সরকারি জমি পুরোপুরি দখলমুক্ত করা হবে।

  • [১]