লন্ডন প্রতিনিধি
ভাটি বাংলার সিংহপুরুষ বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ, দেশের শ্রেষ্ঠ পার্লামেন্টেরিয়ান বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে জাতি এক সূর্যসন্তানকে হারিয়েছে। বৃহত্তর সিলেটের মানুষ হারিয়েছে তাদের প্রিয় সেন বাবুকে। তিনি বৃহত্তর সিলেটের মানুষের কারো দাদা, কারো কাকা, আর কারো কাছে মামা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ছিলেন একজন সৎ এবং যোগ্য রাজনীতিক। দলমত নির্বিশেষে সকলেই একবাক্যে এটি স্বীকার করেছেন। মিডলসেক্স যুবলীগ আয়োজিত শোক সভায় বক্তারা এমন অভিমত ব্যক্ত করেন।
৯ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে হ্যারোর কারীমহল রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত শোক সভায় বক্তারা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের শূন্য আসনে তাঁর সহধর্মীনি ড. জয়া সেনগুপ্তকে মনোনয়ন দেবার জন্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান।
বক্তারা বলেন, এ দাবি শুধু আমাদের নয় তার নির্বাচনী এলাকা ভাটি বাংলার সর্বস্থরের মানুষের দাবি।
মিডলসেক্স যুবলীগের সভাপতি সাবেক কাউন্সিলার ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সেলিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও আফজাল হোসেন রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শোক সভায় বাবু সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের বর্ণাট্য রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিন নিয়ে আলোকপাত করেন ব্রিটিশ বাংলাদেশী ক্যাটারারর্স এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা মিডলসেক্স যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, যুক্তরাজ্য যুবলীগের জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক আহাদ চৌধুরী নাজিম, হিথ্রো আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নূরুল হাসনাত চৌধুরী (এনিছ), মিজানুর রহমান, আব্দুস সহিদ, শেখ আনহার আলী, সাইফুল ইসলাম, মিডলসেক্স যুবলীগের সহ-সভাপতি রসন আলী, মিডলসেক্স যুবলীগের সহসভাপতি রবিউল ইসলাম চৌধুরী, বিশিষ্ট সংগঠক আব্দুর রব, শেখ ফরিদ, আব্দুল সুলতান, বদরুল আলম প্রমুখ। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নামে রাজধানী ঢাকায় একটি স্থাপনার নাম করণের জন্যও শোক সভায় দাবি জানান বক্তারা।