স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মুসলিমপুর গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার নাজিরা বেগম (১৮) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নাজিরার পরিবারের দাবি তাকে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লোকমান মিয়ার (২২) সঙ্গে মাসখানেক আগে বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের নাজিরা বেগমের। বালু-শ্রমিক লোকমান মিয়া বউকে নিয়ে মুসলিমপুর গ্রামে বসবাস করতেন।
নাজিরার মা
মিনারা বেগম জানান, লোকমান মিয়া বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ফোন করে জানান, নাজিরা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে বুধবার রাতে আত্মহত্যা করেছেন। তারা দুপুরে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখেন নাজিরার লাশ ঘরের ভিতর একটি খাটের ওপর রাখা। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। মিনারা বেগম বলেন, তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। তারা থানায় হত্যা মামলা করতে চাইলে পুলিশ মামলা নেয়নি।
সুনামগঞ্জ সদর থানার এসআই মামহবুব আলম জানান, তিনিও নাজিরার লাশ ঘরের খাটের ওপর পেয়েছেন। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা করতে চাইলে নাজিরার পরিবারের সদস্যরা সেটিতে স্বাক্ষর করেননি। পরে পুলিশ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠায়। তিনি বলেন, এই মূহুর্তে নাজিরাকে হত্যা করা হয়েছে সেটি আমরা বলতে পারি না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তখন পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।