স্টাফ রিপোর্টার
বেপরোয়া গতিতে ধেয়ে আসা মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গুরুতর আহত শহরের হাসননগরের বাসিন্দা শামীম আহমদ চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। শুক্রবার বিকাল ৪ টা ৫০ মিনিটে সিলেটের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে ও ১ মেয়েসহ আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।
গত বুধবার তাঁর হাসনগরের বাসভবনের গেইটে দাঁড়ানো অবস্থায় বেপরোয়া গতিতে চালানো মোটর সাইকেল চালক তাঁকে ধাক্কা দেয়। এসময় তাঁর পা এবং পিছনের হাড় ভেঙে যায়। আহত শামীম চৌধুরীকে প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে সিলেটের উপশহরের একটি ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়। শুক্রবার বিকালে ঐ ক্লিনিকেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ঘাতক মোটর সাইকেল চালকের সন্ধান এখন পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। তবে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ জানান, তারা চালককে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।
শনিবার বাদযোহর (বেলা ২ টায়) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ েজানাজা এবং জানাজা শেষে গাজীর দরগাহ্ গুরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হবে।
উল্লেখ্য, শামীম আহমদ চৌধুরী হাসননগরের বাসিন্দা প্রয়াত আইনজীবী রফিকুল বারী চৌধুরীর ছেলে ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক পারভেজ আহমদ চৌধুরীর বড় ভাই।
মরহুমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে পরিবারের প্রতি পৃথক পৃথকভাবে সমবেদনা জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন।