- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

মৌসুমী ফলে ভরপুর বাজার

ইয়াকুব শাহরিয়ার, শান্তিগঞ্জ
চলছে গ্রীষ্মকাল। এ ঋতুকে ফলের ঋতুও বলা হয়ে থাকে। গত এক-দেড় মাস বাজারজুড়ে ছিলো তরমুজ, আনারস, লিচুসহ নানা ফলের আধিপত্য। ইদানিং বাজারে আসতে শুরু করেছে নানান জাতের আম। ফলের দোকানগুলোতে এখন আমের ছড়াছড়ি। অন্যান্য ফলের সাথে বিভিন্ন রকমের আমের সাজানো-গোছানো উপস্থিতি আলাদা করে নজর কাড়ে ক্রেতাদের। শান্তিগঞ্জের বাজারগুলোতে হাড়িভাঙ্গা, আ¤্রপালি, হিমসাগর, গোপালভোগ, লবনা, ল্যাঙড়া, মধুমতি, গুটি আমের আদিখ্যেতা একটু বেশি। স্থানীয় আম তো আছেই। এছাড়াও আছে শ্রীমঙ্গলের আনারস, দিনারজপুর লিচু এবং আপেল, নাশপাতি ইত্যাদি।
শান্তিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে এসব ফলেই এখন পরিপূর্ণ হয়ে আছে। লিচুর সময় এখন শেষের দিকে। পুরোনো লিচু হওয়ায় গায়ে কালো আঁচর থাকে। এতে লিচু ক্রয়ে আগ্রহ হারাচ্ছেন ক্রেতারা। আনারসের উচ্চমূল্য হলেও প্রয়োজনে ক্রেতারা ক্রয় করছেন শ্রীমঙ্গলের আনারস। স্থানীয় পেয়ারা না থাকলেও বাগানী পেয়ারার উপস্থিতি আছে লক্ষণীয়। আঙ্গুর, আপেলে দর একটু উপরের দিকে। তাই খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ এসব ফলে হাত দিচ্ছেন না।
পূর্ব বীরগাঁওয়ের এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাবেন মুনছুর উদ্দিন নামের ছাতকের মঈনপুর এলাকার এক যুবক। পাগলা বাজার থেকে ফল কিনতে গাড়ি থেকে নেমেছেন তিনি। কথা হয় তার সাথে। তিনি জানান, অনেক বেশি ফলের সমাহার আছে বাজারে। তবে লিচুগুলোর উপরে কালো দাগ পড়ে আছে, তাই লিচু কিনিনি। আপেল নিয়েছি। আম আছে। যে ক’টা দোকান দেখলাম সবগুলোতেই প্রায় দশ রকমের আম আছে। আম কিনেছি। আঙ্গুর কিনবো।
দোকানদার মো. সাদ্দেক মিয়া জানান, পাগলা বাজারে প্রচুর আম এসেছে। কিন্তু ক্রেতা কম। মানুষজন স্থানীয় আম, নিজের গাছের আম এখনো খাচ্ছেন। সপ্তাহ দশদিনের মাথায় এসব আম শেষ হয়ে গেলেই বাজারের দোকানের আমে নজর পড়বে ক্রেতাদেও, তখন বিক্রি বাড়বে। লিচুও আছে আমাদের দোকানে। লিচুর শেষ সময়। উপরের আস্তরণে একটু দাগ এখন থাকবেই। তবে এ দাগ বাহিরে আছে ভিতরে নয়। সব রকমের ফলমূলই আমরা কম মূল্যে বিক্রি করে থাকি।

  • [১]