মাসুদ আলম চৌধুরী, ওয়াশিংটন
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ ভিসার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সার্বিক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ট্রাম্প সরকার এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক অঘটনের প্রেক্ষিতে ভ্রমণকারী ও অভিবাসিদের কঠোর নজরদারিতে আনা হচ্ছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
যে সব সিটিজেন ও গ্রিনকার্ডধারী ফেসবুক ও টুইটার ব্যবহার করেন তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় তাদের ফেসবুক ও টুইটারের সকল তথ্য সংগ্রহ করবে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যা- সিকিউরিটিজ। ফেইসবুক ও স্যোসাল মিডিয়ায় তারা কি পোস্ট করেছেন, তারা অন্য কারও নাম ব্যবহার করছেন কি না বা কোন তথ্য গোপন করছেন কিনা তা যাচাই করে দেখবে ইমিগ্রেশন বিভাগ। এই আইনের বিরোধিতা করে বিভিণœ মানবধিকার, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন বলছে, এটা সম্পূর্ণ বেআইনি। এটি একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ। এই উদ্যোগ নিরাপত্তার জন্যে ট্রাম্প প্রশাসনের ইমিগ্রেন্ট বিরোধিতার একটি চিত্র।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে অনুপ্রবেশকারীদের তিন মাস পর্যন্ত তাদের চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয় যে সব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মেয়েদের বিয়ে ও লেখাপড়ারা কথা বলেন তাদের কাগজ পত্র ভাল করে পরীক্ষা করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে এসব আবেদনকারী ব্যক্তিদের তথ্য প্রায়শই মিথ্যা হয়। তাই তথ্যগুলো ভাল করে যাচাই বাছাই করতে হবে।
এই আইন ইউরোপ, অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান সহ ৩৮টি দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তারা যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রে এমন বাধা-নিষেধের সন্মুখীন হবেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন আইন নিয়ে একটি গোষ্ঠী স্বাগত জানালেও অন্য একটি গোষ্ঠী এর বিরোধিতা করছে।