স্টাফ রিপোর্টার
জেলার প্রাথমিক শিক্ষক পদে যোগদানের জন্য জারিকৃত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে চলতি সপ্তাহের মধ্যে যোগদান এবং পদায়ন নিশ্চিত করতে ৪ ঘন্টা অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। শনিবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সামনে অবস্থান নেন তারা। এসময় ৩ দফা দাবিতে জেলা প্রশাসক এবং জেলা শিক্ষা অফিসার’এর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে স্মারকলিপি দেয় তারা।
স্মারকলিপিতে, চলতি সপ্তাহের মধ্যে যোগদান ও পদায়ন নিশ্চিত, ১৬ ফেব্রুয়ারি রোববার থেকে কার্যদিবস বিবেচনা করে প্রাপ্য সকল সুযোগ সুবিধা এবং যারা ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যসনদ পেয়েছেন সেটা বহাল রাখার দাবি জানানো হয়েছে।
জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮-এর ফলাফলে (পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ ২০১৯) ৬০ শতাংশ মহিলা কোটা সংরক্ষণ হয়নি উল্লেখ করে হাইকোর্টে ৩৮ জেলার ফলাফলের ব্যাপারে রিট পিটিশন মামলা করা হয়েছে। এর আদেশে আদালত ৬ মাসের জন্য নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেছেন।
মামলাজনিত কারণে সুনামগঞ্জ জেলায় শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদান, কর্মশালা ও পদায়ন নির্দেশনা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক সজিব চন্দ দাস বলেন, নিয়োগ স্থগিত হওয়ায় আমরা অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং মানসিকভাবে দুরবস্থায় আছি।
মো. মঈনুদ্দিন হাসান বলেন, আমরা অনেকে এর আগে চাকরি করতাম। সহকারি শিক্ষকের চাকরি হওয়ায় পূর্বের চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। ১৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা অধিদপ্তরের নোটিশে আমাদের যোগদান কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। এতে আমরা হতাশ হয়েছি। আমরা চাই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে যোগদান ও পদায়ন নিশ্চিত করা হোক।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশে নবনিয়োগকৃত শিক্ষকদের যোগদান, কর্মশালা ও পদায়ন কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা চিঠি দিয়ে জানানো হবে।