সজীব দে
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আর নেই। রবিবার ভোর ৪টা ২৯ মিনিটে তিনি রাজধানী ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২।
সত্তরের প্রাদেশিক পরিষদে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন অন্যতম কনিষ্ঠ সদস্য। ষাটের দশকের উত্তাল রাজনীতি থেকে উঠে আসা বামপন্থি এই নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি ঘেঁষা প্রবীণ এই আইনপ্রণেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বমহলে। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন কালো ব্যাজ ধারণ ও জেলাব্যাপী তিন দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। তিন দিনের শোক ঘোষণা করেছে দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগও। এর আগে সকালে দিরাই জগন্নাথ মন্দিরে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও শাল্লা উপজেলায় শিশু শিক্ষার্থীরা শোক র্যালি বের করে।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের একান্ত সচিব কামরুল ইসলাম জানান, তিনি ক্যান্সারে ভুগছিলেন। হাসপাতালে তাকে লাইফসাপোর্টে রাখা হয়েছিল। রবিবার ভোর ৪ টা ২৯ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, এর আগে তিনি ওই হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। গত শুক্রবার সকালে তাকে ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে। শনিবার সন্ধ্যায় তার অবস্থার অবনতি হয়। রাত নয়টার দিকে তাকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়।
সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন এক বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্ব। পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে তিনি এক নম্বর ছিলেন বলে তাঁর মনে হয়। তাঁর মৃত্যুতে বিরাট শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এই শূন্যতা সহজে পূরণ হবে বলে মনে করার কারণ নেই।
আওয়ামী লীগের এ নেতার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী শোক প্রকাশ করেছেন।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন।
গত বছর মে মাসে শ্বাসকষ্ট নিয়ে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। পরে আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালেও চিকিৎসা নেন ।
হাসপাতাল থেকে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহ রাজধানীর ঝিগাতলায় তাঁর বাসভবনে নেওয়া হয়। পরে দুপুরের দিকে তাঁর মরদেহ নেওয়া হয় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে। সেখানে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির নেতারা তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন একজন সদালাপী মানুষ। রাজনীতির অনেক ভারী বিষয় হালকাভাবে নিয়ে তার সমাধান দিতেন তিনি।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেলা তিনটার দিকে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহ জাতীয় সংসদ ভবনে নেওয়া হয়। সেখানে আওয়ামী লীগ নেতা ও বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই রাজনৈতিক নেতার কফিনে প্রথমে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি ও পরে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এর আগে বর্ষীয়ান এই নেতার মরদেহের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। পরে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সুরঞ্জিতের মরদেহের প্রতি। এরপর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই নেতার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে সংসদে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও প্রয়াত এই সংসদ সদস্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ ধ্রুবেষানন্দ মহারাজ এ সময় বিশেষ প্রার্থনা করেন। শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে সুরঞ্জিতের জীবনী পড়ে শোনান সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ। পরে সুরঞ্জিতের ছেলে সৌমেন সেনগুপ্ত বক্তব্য দেন। সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয় জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, জাতীয় পার্টি (জেপি), সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকেও। এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদে ছিলেন অন্যতম কনিষ্ঠ সদস্য। এরপর স্বাধীন দেশের প্রথম সংসদসহ চার দশকের প্রায় সব সংসদেই নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ষাটের দশকের উত্তাল রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতা সর্বশেষ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত ১৯৪৫ সালে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার আনোয়ারাপুরে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি দ্বিতীয়, তৃতীয়, পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম জাতীয় সংসদসহ মোট সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তিনি ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসার পর তিনি রেলমন্ত্রী ছিলেন।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাশ করেন। সেন্ট্রাল ল’ কলেজ থেকে এলএলবি করার পর আইন পেশায় যুক্ত হন ।
আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই নেতার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সংক্ষিপ্ত জীবনী
মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের সক্রিয় যোদ্ধা ছিলেন সুরঞ্জিত। তিনি ৫ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
বাবা চিকিৎসক দেবেন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত ও মা সুমতি বালা সেনগুপ্ত। তিনি দিরাই উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সিলেট এমসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে অনার্স গ্র্যাজুয়েট ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরে ঢাকা সেন্ট্রাল ল কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রিও অর্জন করেন। দেশের এই প্রবীণ রাজনীতিক ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন।
তুখোর পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিতের রাজনীতির শুরু বামপন্থী সংগঠনে। সাম্যবাদী দর্শনে দীক্ষা নিয়ে ছাত্রাবস্থায় রাজনৈতিক জীবন শুরু করা এই নেতা দীর্ঘ ৫৯ বছর দাপটের সঙ্গেই চলেছেন। তবে শেষ জীবনে রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ১৯৪৫ সালের ৫ মে সুনামগঞ্জের আনোয়ারাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য সুরঞ্জিতের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় বামপন্থী রাজনীতির মধ্য দিয়ে। স্বাধীন দেশের প্রথম সংসদসহ তিনি সাত বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তুখোড় এই পার্লামেন্টারিয়ান ছিলেন বর্তমান সংসদে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি।
১৯৬৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও পরে ঢাকা সেন্ট্রাল ‘ল’ কলেজ থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ‘ল’ পাসের পর কিছু দিন তিনি আইন পেশায় যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবনে ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ভিপি প্রার্থী হয়েছিলেন। ১৯৬৭ সালে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) পিকিং ও মস্কো ধারায় দুই ভাগ হলে মাওলানা ভাসানীর পক্ষ ত্যাগ করে সুরঞ্জিত অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের নেতৃত্বাধীন অংশে যোগ দেন। ১৯৭০-এর নির্বাচনে ন্যাপ থেকে বিজয়ী হন। পরে ন্যাপের ভাঙনের পর গণতন্ত্রী পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮৬ ও ১৯৯১- এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে জয়ী হন।
পঞ্চম সংসদের সদস্য থাকাকালেই আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে প্রথমে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং পরে দলটির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য হন। ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে সুরঞ্জিত সেন ভোটে হেরে গেলেও পরে হবিগঞ্জের একটি আসনে উপ-নির্বাচন করে তিনি বিজয়ী হন। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা নিযুক্ত হন তিনি।
২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর সুরঞ্জিতকে আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পান। পরে ২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর রেলমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন সুরঞ্জিত। সর্বশেষ ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সম্মেলন তিনি পুনরায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনোনীত হন। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হলে তিনি আবারও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করে গেছেন।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের স্ত্রী জয়া সেনগুপ্ত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে ডক্টরেট। তিনি একটি বেসরকারি সংস্থার শিক্ষাবিভাগে সমন্বয়কারী পদে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের একমাত্র সন্তান সৌমেন সেনগুপ্ত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং কানাডা থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি ব্যবসা করছেন। সৌমেনের স্ত্রী রাখী মৈত্রী সেনগুপ্ত পেশায় চিকিৎসক।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ছেলের শ্বশুর ভুপেন্দ্র ভৌমিক জানান, জাতীয় সংসদে শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহ ল্যাবএইড হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। এরপর আজ সোমবার সকাল নয়টায় হেলিকপ্টারে করে সিলেটে নিয়ে যাওয়া হবে মরদেহ। বেলা ১১টায় মরদেহ যাবে সুনামগঞ্জে। সেখান থেকে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহ তাঁর নির্বাচনী এলাকায় (দিরাই-শাল্লা) নেওয়া হবে। বিকেলে তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে।