জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরে যৌতুকের জন্য নির্যাতন ও আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত স্কুল শিক্ষক মৃদুল চন্দ্রকে একদিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওবায়দুল্লাহ সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান এর আদালতে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করলেও বিচারিক একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওবায়দুল্লাহ বলেন, আসামি মৃদুল প্রায় সময় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করত। এমনকি আসামি তাঁর স্ত্রীকে ঘরে তালা দিয়ে রাখত। তিনি বলেন, ‘আসামি আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ স্বীকার করে জানায় তার প্রতি স্ত্রীর কোনো ভালোবাসা ছিল না বিধায় সে এধরনের আচরণ করত।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ এপ্রিল জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের পাটকুড়া গ্রামের বসত ঘরের ফ্যানের সাথে ওড়না প্যঁাচানো স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী চম্পা রানী দাশ নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন এ ঘটনায় চম্পার ভাই নীহার চন্দ্র দাশ বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানা যৌতুকের জন্য নির্যাতন ও আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে ওই স্কুল শিক্ষককে প্রধানসহ তার মা এবং ভাইকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ স্কুল শিক্ষক মৃদুল চন্দ্র সরকারকে গ্রেপ্তার করে সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। মৃদুল নেত্রকোনার কাইলাজুড়ি উপজেলার চানপুর গ্রামের মৃত যামিনী চন্দ্র সরকারের ছেলে।