- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://archive.sunamganjerkhobor.com -

রুহিঙ্গা প্রসঙ্গে- ঔচিত্যবোধের বিশ্বরূপ

কামরুল জাহাঙ্গীর
বিশ্বায়নের যুগে সবকিছুরই একটি বিশ্বরূপ দেখা যায়। সেটি পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক না কেন, প্রাযুক্তিক উৎকর্ষতার এই যুগে কোনকিছুই এখন আর গোপন রাখা যায় না, প্রকাশ হয়ে পড়ে। আর এ নিয়ে বিশ্ব নানারূপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে। বলা হয়ে থাকে আমরা এখন এক ও অভিন্ন পৃথিবীর অধিবাসী। এখানে বিচ্ছিন্ন বলতে কিছু নেই। সবকিছুই সংলগ্ন। সংলগ্ন এই অর্থে যে, সবকিছুই আলোড়ন তুলে সর্বত্র। নীরবতাও একধরনের আলোড়ন। সেটি উপেক্ষার, অবহেলার আলোড়ন। পক্ষে-বিপক্ষে যারা প্রতিক্রিয়ায় মূর্ত হন তাদেরটি তো প্রকাশ্যই। আমাদের ছোট্ট দেশটির একটি বহিঃস্থ কোণে আজ যে মানবিক বিপর্যয় ঘটা শুরু করেছে তার রেশ ধরে সারা পৃথিবীই আজ নানাভাবে সোচ্চার। অবশ্য এই পৃথিবীর বহু দেশ নিরবতার আড়মোড়া ভাঙতে পারে নি। এদেরকে আমরা পূর্বোক্ত উপেক্ষা ও অবহেলাকারীর দলে ফেলতে পারি। আর অন্য দেশগুলো হয় মানবতার পক্ষে নয় বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নিজেদের পোশাক পড়ে ফেলেছে।
বলছিলাম রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে। বার্মা নামক দেশটির অবিভাজ্য একটি জনগোষ্ঠী এই রোহিঙ্গা সম্প্রদায়। ঐতিহাসিকভাবে এরা বার্মার নাগরিক। বৃহৎ অংশের ধর্মীয় পরিচয় মুসলমান। এরা বাংলার কাছাকাছি ভাষায় কথা বলে। চট্টগ্রামের কথ্য ভাষার সাথে রোহিঙ্গা কথ্যভাষার মিল আছে। বর্তমান চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনি প্রভৃতি বাংলাদেশ অংশীয় ভূখ- একসময় আরাকান রাজ্যের (বর্তমান রাখাইন প্রদেশ) অন্তর্ভূক্ত ছিল। বাংলাপিডিয়ার তথ্যমতে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বর্তমান ধারাটি  চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে সুদূর অতীতকালে আরাকানে গিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন। এই অভিবাসন শুরু হয়েছিল আজ থেকে হাজার বছর আগে।  সুতরাং চট্টগ্রাম অঞ্চলের কথ্যভাষার সাথে রোহিঙ্গা ভাষার মিল থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। অভিবাসনসূত্রে নাগরিকত্ব অর্জন নতুন কোন বিষয় নয় বিশ্ব ইতিহাসে। পৃথিবীর বহু দেশের সংখ্যাগরিষ্ট জনগোষ্ঠী এরকম অভিবাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি রাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করা যায়। আরাকান রাজ্যটি ঐতিহাসিকভাবে বার্মার অধীনে ছিল না। ১৯৪৮ সনে বৃটিশ শাসন থেকে বার্মা স্বাধীনতা অর্জন করার পর এটি বর্তমান বার্মার একটি প্রদেশে পরিণত হয়। মূলত তখন থেকেই বার্মার শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক রোহিঙ্গাদের অস্বীকার করার পালা শুরু হয়।
পরে ধাপে ধাপে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্মূলকরণে মিয়ানমার সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে থাকে। যার সর্বশেষ ধাপটি এখন অতিক্রান্ত হচ্ছে। এই ধাপে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। আগের রোহিঙ্গাদের গোণায় নিলে বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দশ লাখ বলে অনেকে বলে থাকেন। শুধু বাংলাদেশ নয়; সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ভারতসহ পৃথিবীর বহু দেশে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে পড়েছেন। বলা যেতে পারে বর্তমান রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এখন শূন্যের পর্যায়ে। এই দীর্ঘ নির্যাতন-নিপীড়নের ফলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীটি বর্তমান পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উন্মূল জাতিগোষ্ঠী তথা রাষ্ট্রহীন নাগরিকে পরিণত হয়েছেন। সরকার দ্বারা দেশের একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে নির্মূল করার এই পরিকল্পিত প্রয়াসটি ইতোমধ্যে নতুন এক মানবিক বিপর্যয়ের চেহারা গ্রহণ করেছে।
বিশ্বায়িত পৃথিবীর নাগরিক হিসাবে এই সমস্যাটিকে এখন এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। প্রধান উপদ্রুত দেশ হিসাবে বাংলাদেশ এই বিষয়টিকে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিকিকরণে ব্যাপক সফলতা দেখিয়েছে বলে দাবি করা হয়। সর্বশেষ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা ইস্যুটি একটি পৃথক ইস্যু হিসাবে আলোচিত হলেও এখানে সর্বসম্মত কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় নি মূলত নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতাধারী চীন ও রাশিয়ার শক্ত মিয়ানমারাপ্রীতির কারণে। তবে সকলেই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন। নিরাপত্তা পরিষদের এই সর্বশেষ ‘কান চুলকানো’ ধরনের প্রতিক্রিয়া ভবিষ্যতে বড় ধরনের সুফল নিয়ে আসতে পারে বলে উচ্চাশা পোষণ করছেন অনেকে। উচ্চাশা বলছি কেন? যখন জাতিসংঘে এমন আলোচনা  হচ্ছিল, এমনকি সমস্যাটি নিয়ে সুকির একজন ইউনিয়ন মিনিস্টার যখন বাংলাদেশ সফর করছিলেন (২ অক্টোবর), তখনও রাখাইনরাজ্যে ব্যাপকভাবে রোহিঙ্গা নির্মূলকরণযজ্ঞ চলছিল এবং এই ¯্রােত বাংলাদেশ অভিমুখীন ছিল তীব্রভাবে। সুতরাং জাতিসংঘের নিন্দা প্রস্তাবের কারণে কতটুকু কী হবে সেটি একটি উত্তরহীন প্রশ্নের মতো গোলক ধাঁধাঁ মনে হচ্ছে। বিশ্বসংকটে জাতিসংঘ খুব একটা কার্যকর সক্ষমতা কখনও দেখাতে পারেনি। প্রশ্ন হচ্ছে, বিশ্ব মানবতার এতো বড় বিপর্যয়ে আজ কেন এত দ্বিধা? এর পেছনে কোন ভূ-রাজনৈতিক প্রপঞ্চটি সবচাইতে বেশি কার্যকর? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজতে হলে ভূরাজনৈতিক মেরুকরণ ও অর্থনৈতিক রাজনীতির বিশ্ব প্রকৃতি বুঝাটা তাই সমান জরুরি।
বর্তমান মিয়ানমারের সরকার এক অদ্ভূত ও পরষ্পরবিরোধী চরিত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করে অং সান সুকি বিজয়ী হয়েছেন এখন সেই সেনাবাহিনীর সাথেই তার ক্ষমতার গাঁটছড়া। মিয়ানমারের সরকারে যেমন সেনাবাহিনি আছে তেমনি আছেন অ সাং সুকি। আমরা বিশ্রুত হই নি, সুকি’র গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পেয়েছিলেন। এই সমর্থনের জুড়ে তিনি নোবেল শান্তি পুরষ্কারেও ভূষিত হয়েছিলেন। অন্যদিকে সেনাশাসকরা তখন চীনা সমর্থনপুষ্ঠ ছিলেন। সুকির সাথে সেনাবাহিনির ক্ষমতার এই যে মধু-মিলন ঘটল তার মাজেজা কী? এখানে কি দুই বৃহৎ পরাশক্তি আমেরিকা ও চীনের মধ্যে কোন ধরনের সমঝোতা হয়েছে? এই প্রশ্নের মধ্যেই রয়েছে বর্তমান পৃথিবীর দ্বিধাগ্রস্ত মানসিকতার মূল কারণ। এখন রোহিঙ্গা প্রশ্নে আমেরিকা মানবিকতার বাণী মুখে উচ্চকিত হয়েছে। কিন্তু এই মানবতা লংঘন করে চলেছে তারই বশংবদ অং সান সুকি। আর চীন তো খোলামেলাই। সে সেনাসমর্থক ছিল। সুতরাং মানবিকতার প্রশ্নে তার অবস্থান কোথায় যাবে সেটি জানা কথা। আসল প্রশ্নটা হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি আন্তরিকভাবেই চাইছে এখানে রোহিঙ্গা দলন বন্ধ হোক? যদি চাইতো তাহলে রোহিঙ্গা ইস্যুটি দশকের পর দশক যাবৎ এমন একটি বিষফোড়া হয়ে বিশ্বাঙ্গে লেগে থাকতে পারত না। আজকের পৃথিবীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছা পোষণ করেছে কিন্তু কার্যকর হয় নি এমন কোন উদাহরণ খুঁজে পাওয়া দুস্কর হবে। সুতরাং রোহিঙ্গা ইস্যুতে তারা যতই চোখের জলে নাফ নদী ভরে ফেলুক না কেন তাতে নাফের রোহিঙ্গারক্তরঞ্জিত জলের লাল একটুও স্বচ্ছ হবে না।
মিয়ানমারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলোর খেলা শুরু হয়ে গেছে। সুকি ও ভারতের পিঠে সওয়ার হয়ে আমেরিকা আর মিয়ানমার সেনাবাহিনির পিঠে সওয়ার হয়ে চীন নিজেদের বাণিজ্যিক আগ্রাসনের কাজটি অতিশয় পটু হাতে চালিয়ে যাবে। মিয়ানমার একটি বৃহদায়তন দেশ। এখানে প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য। তেল পাওয়ার বিশাল সম্ভাবনা আছে এখানে। রয়েছে আরও বহু মূল্যবান খনিজ সম্পদের অস্তিত্ব। বলা হয় গরিবের সম্পদই তার বিপর্যয়ের কারণ। মিয়ানমার তথা রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে এই সত্য আজ দিনের আলোর মতো সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুর আসল সমাধান হলো, এই আগ্রাসী বিশ্ব ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্রমাগত লড়াই-সংগ্রাম পরিচালনা করা। দুর্ভাগ্যজনকভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার কারণে রোহিঙ্গাদের ভিতর থেকে যোগ্য নেতৃত্ব ও জাতিয়তাবাদী কোন দল বেরিয়ে আসে নি। প্রকৃত শিক্ষার অভাবে এই জনগোষ্ঠীটি বিশ্বপ্রকৃতি ও বিরোধের স্বরূপ সন্ধানে ব্যর্থ হয়ে ক্রমাগত মার খাচ্ছে আর দেশ ছাড়ছে। রুখে দাঁড়াতে পারছে না। এমন কি তারা আদতে কী চায় সেটিও প্রকাশ করার মতো সক্ষমতা নেই তাদের।  নামমাত্র রুখে দাঁড়ানোর যে খবর পাওয়া যায় তাও চরম প্রতিক্রিয়াশীল পন্থা। ধর্মীয় জিগির তুলে রোহিঙ্গাদের যে অতি ক্ষুদ্র অংশটি তৎপরতা চালাচ্ছে এরাও বড় দাবার ছকের ছোট ঘুটি মাত্র। রোহিঙ্গাদের দরকার প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী নেতৃত্ব। এই নেতৃত্ব বেরিয়ে আসবে কীভাবে সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বটে। তবে বেরিয়ে যে আসতে হবে এর মধ্যে কোন দ্বিধা নেই। এখানে শান্তিকামী বিশ্ব নাগরিক সম্প্রদায় হতে পারেন তাদের সহায়।
অহিংসার ধর্ম বৌদ্ধ আজ চরম নিন্দনীয় সন্ত্রাসবাদের সাথে জড়িয়ে পড়ে বিশ্ব পরিচিতি পেয়ে গেছে। ইসলামি সন্ত্রাসবাদের পর বৌদ্ধ সন্ত্রাসবাদ বর্তমান উন্মত্ত পৃথিবীর আরেক নতুন মারণাস্ত্র। রোহিঙ্গা দলনে এই বৌদ্ধ সন্ত্রাসবাদের কার্যকারিতা সুপ্রমাণ করা গেছে। ধারণা করে নেয়া যায় এই বৌদ্ধ সন্ত্রাসবাদ শুধু রোহিঙ্গা ইস্যুতেই থেমে থাকবে না। এর হিং¯্রতার ফ্রন্ট আরও নতুন নতুন জায়গা খুঁজে নিবে। রাশিয়ার কবল থেকে আফগানিস্থানকে উদ্ধার করতে যে তালেবানি সন্ত্রাসবাদের আমদানি ঘটিয়েছিল মার্কিন সা¤্রাজ্যবাদ তার দানবীয় চরিত্র দেখে বিশ্ব মানবতা আজও শিউরে ওঠে। সেই সন্ত্রাসবাদের শিকার আজ পুরো পৃথিবী। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও এই জেহাদীদের কতলবাজির নৃত্যোল্লাস দেখছে পৃথিবী। এমন ভয়াবহ দানবকে রেখে এখন বৌদ্ধ সন্ত্রাসবাদের নামে আরেক দানবের কেন উত্থান ঘটছে তার নির্মোহ কারণ বিশ্লেষণ করা সকলের কর্তব্য। আজকের বিশ্বটি চরমভাবে ধর্মীয় বিভাজন ও বিচ্ছিন্নতার শিকার। ভারতে বিশুদ্ধ হিন্দুত্ববাদিতার উন্মত্ত প্রকাশ বিশ্ব শান্তির আরেক ধারালো চাকু হয়ে আছে। এইভাবে সারা পৃথিবীকে ধর্মীয় হিং¯্রতা দিয়ে মারামারি কাটাকাটিতে নিয়োজিত করে ফেললে তথাকথিত মাতব্বরদের অস্ত্র ব্যবসার যে রমরমা অবস্থা হবে সেখানে নিপীড়িত জাতিগোষ্ঠীর কী কর্তব্য তা নির্ধারণ করা আজ জরুরি।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর আহা উহু আকুতি আর কাটা ঘায়ে মলম লাগানোর নামে মানবিকতার নহর ঠিকই বইবে আজ। ত্রাণ আর দানে ভরে উঠবে হয়তো রোহিঙ্গা শিবির। রোহিঙ্গারা ত্রাণ খাবে আর মহামারিতে মরে গিয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়বে এমন সম্ভাবনার বাইরে আপাতত আর কোন ভাল জিনিসের দেখা মিলছে না। বাংলাদেশের হয়েছে যত বিপদ। এখানকার সমাজঅভ্যন্তরস্থ নানা মেরুকরণের প্রভাব পড়ছে রোহিঙ্গা ইস্যুতে। শরণার্থিদের যন্ত্রণা বুঝার ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা রয়েছে আমাদের। সেই কারণে মানবিকতার প্রশ্নে আমরা মুখ ফিরিয়ে রাখতে পারছি না। কিন্তু এর অর্থ কি এই, ভিন দেশের বিরাট সংখ্যক মানুষের বিকল্প বাসস্থান হিসেবে জায়গা করে দিতে হবে আমাদের? অবস্থা যা দেখা যাচ্ছে, তাতে রোহিঙ্গাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করানো সত্যিকার অর্থেই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের ঔচিত্ববোধ তাদেরকে সম্মানের সাথে যাবতীয় নাগরিক অধিকার সমেত স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘটাতে পারে কি না সেটি এখন সন্দেহের ঘোরপাকে কেবল খাবি খাচ্ছে।   

  • [১]