সু.খবর ডেস্ক
রেফারি নিগ্রহ বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এটা কমে এলেও একেবারে শেষ হয়ে যায়নি। আজ যেমন পেশাদার লিগের দ্বিতীয় স্তর চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ ঘিরে একটা ঘটনা ঘটেছে। ইয়ংমেন্স ফকিরেরপুল ১-০ গোলে হেরে যায় উত্তর বারিধারার কাছে। এই ম্যাচের রেফারি ছিলেন গোলাম মোরশেদ নয়ন। কদিন আগেই যিনি নেপালে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবলের ফাইনালে রেফারি ছিলেন।
ঘটনা হলো, কমলাপুর স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে করে ফকিরেরপুল হোটেলে আসেন নয়ন। কিন্তু হোটেলে ঢোকার মুখে হতভম্ব হয়ে যান এক দল ছেলের হম্বিতম্বিতে। নয়নকে তখন নাকি শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়। তাঁর অভিযোগ, ‘ফকিরেরপুলের সহকারী ম্যানেজার পিকলু আমাকে মেরেছে, সঙ্গে আরও কয়েকটি ছেলেও গায়ে হাত তুলেছে। মনে হচ্ছিল, ওরা আমাকে মেরেই ফেলবে!’
নয়ন বাফুফে ভবনে দৌড়ে এসে ঘটনা জানান। শরীরের আঘাতের চিহ্ন দেখান বাফুফের কর্মকর্তাদের। তখনই নয়নকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘নয়ন আহত হয়েছেন। রক্ত ঝরেছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি।’
ঘটনার পরপরই মতিঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পরে জানা গেল, এ ঘটনায় মামলাও হয়েছে।